প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, এ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হিজবুল্লাহ সরাসরি কোনো পক্ষ ছিল না; বরং চুক্তিটি ইসরাইল এবং লেবানন সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
যদিও লেবানন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সংঘাতের কোনো পক্ষ নয়, তবুও এ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইসরাইল কেবল পাল্টা আক্রমণ নয়, বরং যেকোনো ‘সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি’ মোকাবিলায় আগাম হামলার অধিকার নিজেদের হাতে রেখেছে। হিজবুল্লাহ এ বিতর্কিত শর্তটিকেই সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আরও পড়ুন:
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, তারা লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি দখলদারিত্ব কিংবা তাদের অব্যাহত হামলা কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, হিজবুল্লাহ তাদের সামরিক তৎপরতার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। তারা কেবল দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকায় অবস্থানরত ইসরাইলি সেনাদের ওপরই হামলা চালাচ্ছে না, বরং উত্তর ইসরাইলের অভ্যন্তরেও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করছে।
সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি উত্তর ইসরাইলের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছে, যেখানে সরাসরি তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।





