প্রথম দফায় ১২৯ জনকে ক্রীড়া কার্ড দেয়ার পর দ্বিতীয় দফায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে ১৭১ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। এজন্য বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কার্ডধারীদের নির্ধারিত অর্থ যথাসময়ে দেয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘প্রতিজন ক্রীড়াবিদকে ১ লাখ টাকা করে ক্রীড়াভাতা প্রদান করা হচ্ছে। সরকার থেকে প্রদান করা হচ্ছে।’
এসময় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি অন্যান্য নারী ফুটবলারদেরকেও পর্যায়ক্রমে ক্রীড়া কার্ডের জন্য বিবেচনার দাবি জানান। এছাড়াও মেয়েদের জন্য আলাদা ফুটবল মাঠের ব্যবস্থার অনুরোধ করেন আফঈদা।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ফুটবলার আফঈদা বলেন, ‘আমাদের অনেক মেয়েরা খেলার মধ্যে আছে তাদেরও যেনও পর্যায়ক্রমে ক্রীড়াভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনা হয়। আমাদের মেয়েদের জন্য যেন একটি ভালো মানের ফুটবল মাঠের ব্যবস্থা করা হয়। এমন সুযোগ সুবিধা পেলে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবো। আমি বিশ্বাস করি ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে নির্বাচন করতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আগ্রহী হবে।’
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক তপু বর্মনের ভাষ্যমতে এই কার্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে। আর স্টাইকার মোরসালিন ব্যক্ত করেন উৎসাহের কথা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ফুটবলার তপু বর্মন বলেন, ‘এটি খুবিই একটি ভালো উদ্যোগ। এর ফলে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এটি চার মাস পর পর চেঞ্জ হবে। পারফর্মেন্স ভালো না করলে টিম থেকে বাদ হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ফুটবলার শেখ মোরসালিন বলেন, দেশের জন্য ও আমাদের পারফর্মেন্সের জন্য ভালো। আমরা এখন আরও বেশি সিরিয়াস থাকবো।’
ফুটবলারদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা জাতীয় নারী হকি দল অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়াও দাবা, জিমন্যাস্টিক্স, উশু, কিক বক্সিং, জুডো, হ্যান্ডবল, টেবিল টেনিস ও ভলিবলসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দের মাঝেও বিতরণ করা হয় ক্রীড়া কার্ড। সরকারের এ উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও গতির সঞ্চার করবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।





