সিভিল সার্জন জানান, জেলার টিকাদান কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে মোট ২ হাজার ১৬৭টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫৭৩টি স্কুল ভিত্তিক কেন্দ্র, ১ হাজার ৫৮৪টি আউটরিচ কেন্দ্র এবং ১০টি স্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে সেবাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, জেলায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৯৭৬ জন, যার মধ্যে ১৩ হাজার ৫৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং ১ রাখ ৮৮ লাখ ৩৭৯ জন কমিউনিটি সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া প্রথম পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচিতে এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখা গেছে। বিশেষ করে গোদাগাড়ী অঞ্চলে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতির চিত্র বেশ আশাব্যঞ্জক বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রাপ্ত তথ্যমতে, গোদাগাড়ী উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ৩৭ হাজার ৯৫৪ জনের মধ্যে ৩৭ হাজার ৩৪৭ জন টিকা নিয়েছেন, যার হার ৯৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। একইভাবে গোদাগাড়ী পৌরসভায় লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৪৪৫ জনের বিপরীতে ৪ হাজার ৯৭৮ জন টিকা গ্রহণ করেছেন, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ।
এদিকে, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। এই পর্যায়ে রাজশাহীর আটটি উপজেলায় মোট ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৭ জনকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা বাগমারা উপজেলায় ৩০ হাজার ৯৮৬ জন এবং সর্বনিম্ন মোহনপুর উপজেলায় ১৩ হাজার ২৪৪ জন। অন্যান্য উপজেলার মধ্যে পবায় ২৭ হাজার ৬৭০ জন, চারঘাটে ১৮ হাজার ৯৬৬ জন, পুঠিয়ায় ১৭ হাজার ৮৫৪ জন, তানোরে ১৭ হাজার ৮৮২ জন, দুর্গাপুরে ১৭ হাজার ১৬৩ জন এবং বাঘায় ১৪ হাজার ৮১২ জনকে টিকার আওতায় আনা হবে।
শিশুদের সুস্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ৫ মাস থেকে ৫৯ বয়সীদের টিকা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।





