পত্রে বলা হয়, জনসাধারণের ডাকসেবা গ্রহণের সুবিধা, সরকারি কাজের স্বার্থ এবং হাইকোর্ট উপ-ডাকঘরের গ্রাহকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর যৌক্তিকতা রয়েছে। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা ঢাকা মেট্রোপলিটন সার্কেলের পোস্টমাস্টার জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় শিফট চালুর পরবর্তী তিন মাসের ভ্যালু রিটার্নসহ প্রতিবেদন ডাক অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।
এর আগে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট (অন-রেকর্ড) এস এম আরিফ মণ্ডল গত ৮ ফেব্রুয়ারি ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি দ্রুত ডাকসেবা নিশ্চিত করা, আদালতের আদেশ যথাসময়ে পাঠানো, আইনজীবীদের চিঠিপত্র প্রেরণ এবং বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য সান্ধ্যকালীন ডাকসেবা চালুর অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, নৈশকালীন ডাকঘর চালু হলে প্রতি কার্যদিবসে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গ্রাহকসেবা পাওয়া যাবে। এতে ফৌজদারি মামলায় জামিনের আদেশ দ্রুত সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। ফলে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়া কোনো ব্যক্তি প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়াই দ্রুত কারামুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া দেওয়ানি ও রিট মামলার আদেশ বিচারপ্রার্থীদের কাছে পৌঁছাতে যে দীর্ঘসূত্রতা ছিল, সেটিও কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের ডিসপ্যাচ সেকশনে ফাইলের চাপও কমবে।
বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সাব-পোস্ট অফিস দুপুর ২টা পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে। নতুন এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আদালতকেন্দ্রিক ডাকসেবায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এস এম আরিফ মণ্ডল বলেন, ‘ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের প্রচেষ্টায় স্বল্প সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে নৈশকালীন ডাকঘর চালু সম্ভব হচ্ছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত সেবা পাবেন এবং ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে।





