দেশটির সেশনস কোর্টে হাজির হয়ে কাজী মিয়োস্তফা (৩৮), মারুফ হোসেন (২৮) এবং আলিম আবদুল (৩০) নিজেদের নির্দোষ দাবি করে অভিযোগ অস্বীকার করেন। বিচারক এন. কানাগেস্বরীর সামনে অভিযোগপত্র পাঠ করা হলে তারা ‘নট গিল্টি’ প্লি দেন।
অভিযোগে বলা হয়, পলাতক আরও দুই সহযোগীসহ তারা গত ২২ মার্চ দুপুর ১টার দিকে জালান দাতো শেখ আহমদের একটি দোকানের সামনে থেকে রনি হাওলাদার নামে এক বাংলাদেশিকে অপহরণ করে ২০ হাজার রিঙ্গিত মুক্তিপণ দাবি করেন।
মামলাটি মালয়েশিয়ার কিডন্যাপিং অ্যাক্টের ৩(১) ধারায়, একই আইনের ৩৪ ধারার সঙ্গে যুক্ত করে দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের ৩০ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং বেত্রাঘাতের সাজা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নুরুল বালকিস জুনাইদি আদালতকে জানান, এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হওয়ায় তারা জামিনের বিরোধিতা করছেন। তবে আদালত বিবেচনা করলে প্রতিটি আসামির জন্য ৫০ হাজার রিঙ্গিত জামিন এবং দুইজন স্থানীয় জামিনদার রাখার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি আসামিদের পাসপোর্ট জমা এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়ার আবেদনও করেন তিনি।
অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হানিফ হাসান জামিনের আবেদন জানিয়ে বলেন, ‘আসামিরা সবাই বিবাহিত এবং বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল।’
এছাড়া তাদের মাসিক আয় প্রায় ২ হাজার রিঙ্গিত হওয়ায় যুক্তিসঙ্গত জামিন নির্ধারণের অনুরোধ করেন তিনি। তবে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আগামী ৭ মে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।





