আজ (বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযানে এসব জ্বালানি উদ্ধার করা হয়। এসময় জ্বালানি মজুতের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। পাশাপাশি অকটেন ও পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। দৈনিক হিসাবে পেট্রোলের চাহিদা ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন এবং ডিজেলের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন।
আরও পড়ুন:
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং এপ্রিল মাসজুড়ে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে। তবে আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং) এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রলপাম্পগুলোতে।
তিনি আরও জানান, যথাযথভাবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং শিগগিরই অপরিশোধিত তেলবাহী একটি জাহাজ দেশে পৌঁছাবে, যা ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের মাধ্যমে সরবরাহে সহায়তা করবে।
এদিকে, কৃষকদের জন্য ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী। পাশাপাশি জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।’ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।





