অভিবাসীবান্ধব দেশ কানাডা। তবে অভিবাসন নীতিতে এবার লাগাম টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে অটোয়া। এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে নতুন অভিবাসন ও সীমান্ত আইন ‘বিল সি-১২’। এতে শরণার্থী প্রক্রিয়ায় এসেছে বড় পরিবর্তন। এ আওতায় ২০২০ সালের ২৪ জুনের পর যারা প্রথম কানাডায় প্রবেশ করেছেন, তারা এক বছরের বেশি সময় পর শরণার্থী হওয়ার আবেদন করলে তা আর গ্রহণ করা হবে না।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে করা প্রায় ২৯ হাজার আবেদন অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এর মধ্যে প্রায় ১৯ হাজার আবেদন সরাসরি বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এমনকি থাকছে না সরাসরি শুনানির সুযোগও। কেবল লিখিত নথির ওপর করা হবে মূল্যায়ন।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে স্থল সীমান্ত পেরিয়ে আসা অভিবাসীরাও আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন না। সব মিলিয়ে আরও কঠিন হয়েছে অভিবাসন প্রক্রিয়া। এ অবস্থায় শঙ্কা ও উদ্বেগে দিন কাটছে বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীর।
অভিবাসন প্রত্যাশী একজন বলেন, ‘যে স্বপ্ন নিয়ে কানাডায় মানুষ জন আসছে তার কিছুই পূরণ হচ্ছে না। আর ১০ জন যদি আসে এখান থেকে ২০ জন চলে যাচ্ছে।’
কানাডা সরকার বলছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আবেদন জট কমানো সম্ভব হবে। নতুন আইনের মাধ্যমে সরকার এখন বড় পরিসরে ভিসা, পারমিট বা, পি আর কার্ড বাতিল বা স্থগিত করতে পারবে। প্রয়োজনে আবেদন গ্রহণ বন্ধ বা প্রক্রিয়া থামানো যাবে।
এমন পরিস্থিতিতে আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এটি গত এক দশকের মধ্যে শরণার্থী অধিকারের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা।
কানাডায় বর্তমানে প্রায় ৩ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন অপেক্ষমাণ। এর মধ্যে ২০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি।





