সংঘাত বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর যুদ্ধবিরতি উদ্যোগও শান্ত করতে পারছে ইরান-ইসরাইলের চলমান উত্তেজনাকে। হামলা-পাল্টা হামলায় প্রতি মুহূর্তে উত্তেজনার ছাপ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে।
তেহরানে নতুন দফায় সফল অভিযান পরিচালনার দাবি করেছে আইডিএফ। বাহিনীটি জানায়, হামলায় আইআরজিসি’র কমান্ড সেন্টার ও অস্ত্রাগার টার্গেট করা হয়েছে। এছাড়া বুশেহর প্রদেশে ইসরাইলি হামলায় কয়েকজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। হামলা হয়েছে খুজেস্তান প্রদেশের একটি পানি সরবরাহ কেন্দ্রেও।
পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। নতুন করে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। গতকাল (শনিবার, ২৮ মার্চ) দ্বিতীয় দফায় ইসরাইলে আঘাত হানে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। নতুন করে ইরানের হামলা প্রতিহতের দাবিও করেছে আইডিএফ।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও, আমিরাতের পর বাহরাইনের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলা চালিয়েছে ইরান। ড্রোন প্রতিহতের দাবি জানিয়েছে সৌদি আরবও। এদিকে, ইরাক থেকে সিরিয়ার মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
বিধ্বংসী বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানে কাঁপন ধরানোর পর, স্থল অভিযানের শঙ্কার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছে পেন্টাগন। ইউএসএস ট্রিপলি যুদ্ধজাহাজে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের খবর, কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে স্থল অভিযানের প্রয়োজন নেই।
অন্যদিকে, তেহরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। আর হরমুজে নিজেদের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় রুটটিতে চলাচল করা জাহাজগুলো থেকে টোল আদায়ের পরিকল্পনা ইরানের। দাবিটি যুক্ত করা হয়েছে যুদ্ধবিরতি শর্তেও। এদিকে, পাকিস্তানের ২০টি নৌযানকে হরমুজ পারাপারের অনুমতি দিয়েছে আইআরজিসি।
অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ হিসেবে রোববার ইসলামাবাদে বৈঠকে বসবেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের প্রতিনিধিরা।





