জাতীয় দলের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের অংশ ছিলেন। জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে। প্রায় ১৯ বছর পর নাদিফ চৌধুরী আবার জাতীয় দলের দোরগোড়ায়। তবে এবার নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়ে। বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হয়ে দুই বছর পার করার পরে এসেছেন বড় পর্যায়ে।
বিশ্বকাপের আগে বেশ চ্যালেঞ্জিং সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন নাদিফ চৌধুরী। নতুন এ নির্বাচক প্যানেল নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ব্র্যান্ড তৈরি করতে চান সাবেক এ ব্যাটার।
বিসিবি নির্বাচক নাদিফ চৌধুরী বলেন, ‘ব্র্যান্ড হওয়া উচিত আমরা অনেকদিন থেকে ক্রিকেট খেলছি। আমরা সবাই জানি আমরা ওই স্টেজে এখনো যাইনি। এটি নিয়ে আমরা কাজ করবোই। আমরা ডিফরেন্টভাবে চিন্তা করবোই। আমাদের নাইম আছে, শান্ত আছে সবার সঙ্গে মিলেমিশে আমার মনে হয় ভালো কিছুই হবে।’
নিজের ক্যারিয়ার লম্বা না হলেও তরুণ ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে চান নাদিফ চৌধুরী। পাল্টাতে চান তড়িঘড়ি করে দলে এনে আবার তড়িঘড়ি করে বাদ দেয়ার পুরনো সংস্কৃতি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘যে লং টাইম সার্ভিস দিতে পারবে আমরা সেই প্লেয়ারকেই নেব। আমার ক্যারিয়ার লম্বা হয়নি কারণ আমি মেন্টালি স্ট্রং ছিলাম না। ওই লেভেলে মেন্টালিটি অনেক স্ট্রং থাকতে হয়। আমার মনে হয় একজন প্লেয়ারকে অন্তত ৪ থেকে ৫টি চান্স দিতে হবে। একটি দুইটি ম্যাচ দেখে চলে যাওয়া ঠিক না।’
জাতীয় দলে এসে ঘরোয়া ক্রিকেটের শক্ত কাঠামো এবং বয়সভিত্তিক দলের অভাবটাও অনুভব করছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এ নির্বাচক।
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা প্রিমিয়ার লিগও আর আগের মতো অ্যাকটিভ নেই। আগে বড় সিলেকশনের জায়গা ছিলো ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। আই হোপ এটি ঠিক হয়ে যাবে। প্লেয়াররা ঢাকার বাহিরে গিয়ে খুব একটি ভালো সার্ভিসও পায় না। অধিকাংশই দেখা যায় মিসিং হয়ে যায়।’
বোর্ড পরিচালকের পদে এসে নতুন অলরাউন্ডার এবং মিডল অর্ডারে নতুন ফিনিশার খুঁজে নেয়ার তাগিদ নাদিফ চৌধুরীর।





