আজ (মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো-তে চলমান ‘জামদানি ভিলেজ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জামদানির হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। জামদানির গবেষণা কার্যক্রম, বাজার সম্প্রসারণ, বীজ বৈচিত্র্যায়ণ এবং উন্নত জাত অন্বেষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে নেয়া হচ্ছে।’
প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জামদানি ভিলেজ প্রকল্প সম্পন্ন করতে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। এর মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা শেষ পর্যায়ে। এখানে প্রদর্শনী কেন্দ্র ,বিক্রয় কেন্দ্র এবং মেলা আয়োজনের জন্য উন্মুক্ত জায়গা থাকবে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ, দ্রুত কাজ শুরু হবে।’
আরও পড়ুন:
বন্ধ পাটকল চালু প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি ইশতেহারে বলেছেন বন্ধ পাটকল আমরা চালু করবো, সে প্রক্রিয়া চালু আছে। বিজেএমসি (বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন) অধীনে থাকা ২৫টির মধ্যে ১৪টি পাটকলের লিজ দেয়া আছে, বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন। বন্ধ পাটকল চালুতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের যোগাযোগ করছি। যারা পাটকল অথবা অন্য কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান করতে চান আমরা সাধুবাদ জানাই। এতে করে শিল্পায়ন হলে কর্মসংস্থান বাড়বে, অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।’
এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, তাঁত বোর্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান, তাঁত বোর্ডের সদস্য দেবাশীষ নাগ, যুগ্মসচিব মো. জাহিদ হাসান, জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী,তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক মো. কুতুব উদ্দিনসহ স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,জামদানি ভিলেজ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাই থেকে শুরু হয় জামদানির জন্য যুগোপযোগী ডিজাইন, গবেষণা এবং ক্রেতাদের জন্য উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করতে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও যথাযথভাবে এটি সম্পন্ন করতে মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।





