জামায়াত আমির বলেন, ‘কোনো দেশের সংবিধানই অপরিবর্তনশীল নয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনে তা পরিবর্তন করতে কোনো বাধা নেই। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য হলেও সংবিধান সংস্কার প্রয়োজন।’
সাংবিধানিক আরও নানান প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংসদ অধিবেশন সময়ের শেষ প্রান্তে হওয়ায়- নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সময় সংকুচিত হয়েছে। আর প্রেসিডেন্টের প্রতিষ্ঠান নিয়ে কোনো নেতিবাচক ধারণা জামায়াতের নেই। প্রতিষ্ঠানটির ব্যক্তিকে নিয়ে প্রশ্ন আছে। নিশ্চয় সরকার এটা নিয়ে ভাববে।’
নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন সংকটের বিষয় উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘সংসদের ভেতরে এসব সমাধান না হলে স্বভাবতই তা বাইরে আন্দোলনে রুপ নেবে।’
রাষ্ট্র আগের ধারাতে চলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
জামায়াত আমির বলেন, ‘রাষ্ট্র আবারো সেই আগের ধারাতেই চলছে। বর্তমানে যেসব প্রাতিষ্ঠানিক নিয়োগ হচ্ছে তা নিয়ে জাতি চিন্তিত। এই ধারা থেকে বের হওয়া জরুরি। সমাজের সর্বত্র এখনো অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান। রাজনীতিবিদরা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজেরা ঠিক না হবেন ততক্ষণ পর্যন্ত দেশ ভালোর দিকে যাবে না।’
ঈদযাত্রায় জনগণের ভোগান্তি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঈদযাত্রায় বিশৃঙ্খলা সরকারের গাফিলতি- সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রীর অযাচিত মন্তব্যই এসবের জন্য অনেকটা দায়ী।’
এসময় দেশের জনসংখ্যাকে যদি জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা যায় তাহলে বাংলাদেশ একটি মর্যাদাপূর্ণ সম্ভাবনাময় অঞ্চল হবে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের এ নেতা।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপি এ মতবিনিময় সভায় সিলেটের সাংবাদিকরা ছাড়াও সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





