এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি যে সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে, ইনসাফের পথে এই ছয়জন বাংলাদেশকে থাকা বাকি ২৯৪ জনের বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে। প্রথম অধিবেশনে আমরা দেখেছি যখনই ফ্যাসিস্টের একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার মহান সংসদকে যখন কলুষিত করার চেষ্টা করেছে, তখনই বিরোধী দলীয় ঐক্যজোট এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির সদস্যরা কীভাবে সেটাকে প্রত্যাখ্যান করেছে।’
সারজিস বলেন, ‘আমার কোনো একজন নেতাকর্মী, আমার কোনো একজন সংগঠককে শুধুমাত্র একটি দল করার কারণে, একটি মার্কায় নির্বাচন করার কারণে, একটি মার্কায় ভোট দেয়ার কারণে যদি কোনো দলের কেউ বিন্দুমাত্র ক্ষতি করার চেষ্টা করে, হুমকি দেয়ার চেষ্টা করে তা আমরা প্রতিহত করবো। আমরা তাদেরকে বলতে চাই যে অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন। ওই অতীত চর্চার কারণেই যাদের আজকে পতন হয়েছে, আপনারা যদি ওই একই চর্চা করেন, তাদের অনেক আগেই আপনাদের পতন হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে আমাদের ভোট গণনায় প্রভাবিত করে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিজয়ের ফলাফলকে কেড়ে নেয়া হয়েছে, আমরা যেন একই সুযোগ স্থানীয় নির্বাচনে আর করে না দেই। জনগণ অনেক আশা নিয়ে, অনেক পরিবর্তনের চিন্তা নিয়ে আমানত হিসেবে আমাদেরকে যে ভোটটা দেয়, রক্তের বিনিময়ে হোক জীবনের বিনিময়ে হোক সেই ভোটের আমানতকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। আমরা যদি কোনো অন্যায় করি আমাদের আপনারা চোখে আঙুল দিয়ে আপনারা দেখিয়ে দেবেন। কিন্তু আপনারা যদি চাঁদাবাজি করেন, সন্ত্রাসী করেন, আপনারা যদি আমাদের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদেরকে আঘাত করেন, তাহলে এই বিষয়েও প্রতিবাদ করতে প্রতিহত করতে আমরা বিন্দুমাত্র পিছ পা হবো না।’
ইফতার মাহফিলে এনসিপিসহ ১১ দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





