প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবার পর আমিনুল হক ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ঘোষণা দেন। সেই লক্ষ্যে প্রাথমিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।
২৯ মার্চ দেশের সফল ১৬৪ জন ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে তাদের বেতন কাঠামোয় অন্তর্ভূক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘২৯ মার্চেই আমাদের যে ১৬৪ জন খেলোয়াড়কে সম্মাননা প্রদান করা হবে, তাদেরকে প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা বেতন কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে আমরা আশা করছি, আমরা আপনাদের যে প্রথম কাজটির ব্যাপারে বলেছিলাম যে, আমরা খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সব ক্রীড়াবিদদের একটা পেশাদারিত্বের ভেতরে আনতে চাই।’
২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যোগ্য ক্রীড়াবিদদের জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার দেবে সরকার। এক্ষেত্রে কোনো খেলোয়াড়কে আবেদন করতে হবে না বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এসময় স্পোর্টস ভিলেজ নিয়েও সুখবর দিয়েছেন আমিনুল হক।
আরও পড়ুন:
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ থেকে ২০২৫, এই পাঁচ বছরে যারা জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত হবেন, তাদেরকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আশা করছি জুন কিংবা জুলাইয়ের ভেতরে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সেই জাতীয় পুরষ্কার প্রদান করতে পারবো। আমাদের এ জাতীয় পুরস্কারের যে নীতিমালা রয়েছে, যেভাবে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন চাওয়া হয়, আমার কাছে মনে হয়, আমাদের যারা জাতীয় ক্রীড়াবিদ, যারা এটার যোগ্য, তাদের একটি বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় ইনডোর সুবিধা সম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ তৈরি করতে চাই।’
আগেই জানানো হয়েছিলো, সব ধরনের ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোতে অন্তর্ভূক্ত করা হবে। খেলাভেদে সেক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না বলেও জানিয়েছেন আমিনুল।
আমিনুল হক বলেন, ‘আমি একজন ক্রিকেটার বা ফুটবলারকে যেই বেতন কাঠামোর ভেতরে আনবো, অন্যান্য খেলার খেলোয়াড়দেরকেও সেই একই কাঠামোর ভেতরে আনবো।’





