স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য-এর ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে এ অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করার ব্যাপারে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি একটি শান্তিপূর্ণ ও সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য নেপালের জনগণকে অভিনন্দন জানান এবং এই নির্বাচনকে দেশটির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। এসময় রাষ্ট্রদূত নেপালের জনগণের প্রত্যাশা ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেন এবং নেপালের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত নতুন সরকারের অগ্রাধিকারগুলো যথা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালীকরণ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ়করণ ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন:
একইসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সম্পর্কে উপস্থিত অতিথিদের অবহিত করেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খাবারের সঙ্গে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাবার ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্নের সমন্বয়ে পরিবেশিত নৈশভোজ দিয়ে আয়োজন শেষ হয়। এই আয়োজনে ১৮টি দূতাবাসের মিশন প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর মিশন প্রধানসহ সিনিয়র কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন।
অতিথিদের মধ্যে অন্যদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কাতার, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, মিশর, ভারত এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত/সিডিএ এআইরা অংশ নেন। এছাড়াও সার্কের মহাসচিব, জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি এবং নেপালে আইএলও-এর প্রধান এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।





