২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অপসারণ করা হয় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীকে। এরপর অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবকে পালাক্রমে প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হলেও তারা সপ্তাহে মাত্র দুদিন নগর ভবনে অফিস করতেন। অন্যদিকে, ২৭টি ওয়ার্ডের সংরক্ষিতসহ ৩৬ জন কাউন্সিলর অপসারিত হওয়ায় ব্যাহত হয় ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক সেবা। স্থবির হয়ে পড়ে জন্ম-মৃত্যু সনদসহ নাগরিক বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম। থমকে আছে উন্নয়ন কাজও।
নাগরিকরা জানান, জনপ্রতিনিধি না থাকায় কার্যক্রম সেবা যেমন পুরো বন্ধ। তাছাড়া পুরো এলাকায় মাদকের ভয়াবহ অবস্থায় পরিণত হয়েছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ২২ ফেব্রুয়ারি দেশের ৫টি সিটি করপোরেশনের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনেও নিয়োগ দেয়া হয় নতুন প্রশাসক। এতে নাগরিক সেবায় কিছুটা গতি ফিরবে বলে প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
আরও পড়ুন:
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির মাধ্যমে সব এলাকায় উন্নয়নের কাজ সচল করা হবে।’
জনগণের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্ব ছাড়া পূর্ণাঙ্গ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন সর্বস্তরের মানুষ। স্থানীয় একজন বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি কিছু দিনের মধ্যেই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিকরে সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল বলেন, ‘নির্বাচনাকে তরান্বিত করা আর তা না হলে নাগরিক সেবা ব্যহত হবে।’
দ্রুত সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত হোক, এমনটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর।





