৪৬ বছর পর এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে উড়তে যাচ্ছে লাল সবুজের পতাকা। বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিক পরিশ্রম, সংগ্রাম আর সাফল্যর ফলস্বরূপ প্রথমবারের মতো নারী এশিয়ান কাপে খেলতে নামছেন আফঈদা-ঋতুপর্ণারা। তবে যাত্রাটা সহজ হবে না মোটেও। তবে যাত্রাটা সহজ হবে না মোটেও চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মহাপরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে বাংলাদেশের মেয়েদের। চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করবে বাংলাদেশ।
সিডনির জুবিলি স্টেডিয়ামে শেষ অনুশীলনে ঘাম ঝরিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। কোচ পিটার বাটলার বাস্তবতার নিরিখে মজা করে বলেন, ‘গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসে এখন অস্ট্রেলিয়ায় খেলছি।’
ভালো প্রস্তুতির অভাবে কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও, অস্ট্রেলিয়ার উন্নত পরিবেশে মেয়েরা এখন খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রতিপক্ষ চীন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তো বটেই, সেই সঙ্গে নারী এশিয়ান কাপের সর্বোচ্চ ৯ বারের শিরোপা জয়ী দলও। তবে দমে যাচ্ছেন না লাল সবুজদের গুরু পিটার বাটলার। মহাপরাক্রমশীল চীনের বিপক্ষে রক্ষণাত্মক কৌশলে ‘বাস পার্ক’ করার পক্ষপাতী নন বাটলার। বরং তিনি চান মেয়েরা স্বাধীনভাবে নিজেদের মেলে ধরুক।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের হেড কোচ পিটার বাটলার বলেন, ‘এটি সম্ভবত বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বা ঐতিহাসিক ম্যাচ হতে যাচ্ছে। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। আমি বাস্তববাদী। বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাশা না করা হয়। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট। সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফঈদা জানান, ছেড়ে কথা বলবে না বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফাঈদা খন্দকার বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে আমরা অবশ্যই ভালো কিছু করবো। আর আমাদের প্রতিপক্ষ চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তান অনেক শক্তিশালী দল। কোচ আমাদেরকে যেভাবে নির্দেশনা দিবে আমরা সেভাবেই খেলেবো।’
প্রত্যাশা ও চাপের মাঝেও মেয়েরা নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিতে বদ্ধপরিকর।





