পায়রা ও বিষখালী নদীর বিস্তীর্ণ উপকূলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে চলছে গলদা ও বাগদা চিংড়ির পোনা আহরণ। এতে ধ্বংস হচ্ছে নদী ও সমুদ্রের বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা। হুমকির মুখে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য।
মাঠ পর্যায়ের তথ্য বলছে, উপকূলের প্রায় ৫ লাখ মানুষ রেণু শিকারে জড়িত। চিংড়ি চাষিদের চাহিদা মেটাতে হ্যাচারিগুলো বন্ধ থাকার সুযোগ নিচ্ছে একদল অসাধু চক্র। তবে জেলেরা বলছেন, অভাবের তাড়না আর সরকারি সহায়তার অপ্রতুলতায় বাধ্য হয়ে এ কাজে নেমেছেন তারা।
আরও পড়ুন:
জেলেরা জানান, সরকারিভাবে কোনো সাহায্য সহযোগিতা দেয়া হয় না। এমনকি অনেকের ট্রলার ও আছে মাছ ধরার জন্য।
এদিকে নৌ-পুলিশের টহল জোরদার থাকলেও অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে অনেক সময় আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। জেলেরা আরও জানান, টাকা না দিলেই অবৈধ আর টাকা নাকি বৈধ।
২০০০ সালে সরকার চিংড়ি পোনা আহরণ নিষিদ্ধ করলেও তা কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। যদিও মৎস্য বিভাগ বলছে, মাঠ পর্যায়ে দেয়া হয়েছে কঠোর নির্দেশনা, চলছে অভিযান।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘১৮টি জেলায় কোটা জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য অভিযান চলছে। প্রত্যেকটি উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’
মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে উপকূলের এ চিংড়ি পোনা আহরণ বন্ধ করা অতি জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





