দিনে পাঠকের সমাগম কম; ইফতারের পর বাড়ছে ভিড় বই মেলার প্রাঙ্গণে

বইমেলা প্রাঙ্গণ | ছবি: এখন টিভি
0

রমজানের ভেতরেও বইমেলায় আছে পাঠকের টান, তবে বিক্রির অঙ্কে রয়ে গেছে শঙ্কা। দিনভর ক্রেতা-পাঠকের গতি ধীর হলেও ইফতারের পর ভিড় বাড়ছে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী প্রাঙ্গণে। প্রকাশকদের আশা, সামনে কাটবে মন্দা, বিক্রিতে মিলবে স্বস্তি।

রমজানের সংযমের ভেতরেও পাঠকের পদচারণা বইমেলা প্রাঙ্গণে। হ্যামিলনের বাঁশির টানে না হলেও বইয়ের টানে আসছেন তারা। পাঠকরা জানান, বই মেলা তাদের জন্য সবসময় আনন্দের; আর প্রতিবছর তাদের আসা হয় মেলায়।

নতুন বইয়ের মলাটে যেমন থাকে স্বপ্নের রঙ, তেমনি থাকে হিসাবের খাতা। শব্দের উৎসব হলেও ভেতরে জড়িয়ে থাকে ব্যবসার লাভ লোকসানের অঙ্ক। রমজানের সংযমের সময়েও বইয়ের টানে মেলায় পাঠকেরা আসলেও বিক্রির গতি নিয়ে চিন্তা রয়েই গেছে প্রকাশকদের মনে।

যেখানে গত বছর নতুন বই প্রকাশিত হয় ৩ হাজার ৭৫১টি, আর বিক্রি হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। সেই তুলনায় এবার শুরুটা কিছুটা ধীর। রোজার কারণে সন্ধ্যার আগে ভিড় কম, ইফতারের পর সময়ও সীমিত। ফলে দৈনিক বিক্রির অঙ্ক প্রত্যাশার চেয়ে নিচে বলেই জানাচ্ছেন প্রকাশক।

আরো পড়ুন:

প্রকাশক ও বিক্রয়কর্মী জানান, ‘এখন পর্যন্ত আশা অনুরূপ বেচা-বিক্রি বাড়েনি তাদের। তারা আশা করছেন ধীরে ধীরে বিক্রি বাড়বে।’

প্রকাশকদের ভাষ্য, বাংলা একাডেমি স্টল ভাড়া মওকুফ করলেও মুদ্রণ খরচ, কাগজের দাম, বিক্রয়কর্মীদের বেতন-সব মিলিয়ে বিনিয়োগ বড়। তবে আশা ছাড়ছেন না তারা।

একজন প্রকাশক বলেন, ‘আমরা পাঠকের অপেক্ষায় আছি। তারা আসুক, বই দেখুক, রমজানের সময় মেলায় আসাতে কোনো অসুবিধা নেই। বইকে যদি দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গী হিসেব ধরে নেন তাহলে আপনারা আসুন। বই পড়ুন আর আপনাদের জ্ঞানের রাজ্য সমৃদ্ধ করুণ।’

অন্যদিকে লেখকরাও তাকিয়ে আছেন পাঠকের সাড়ার দিকে। বিক্রির অঙ্ক শুধু ব্যবসা নয়, এটি তাদের সৃষ্টির গ্রহণযোগ্যতারও মাপকাঠি।

এদিকে লেখকরা জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বই বিক্রি হবে। আর বই মেলাও জমে উঠবে।

এদিকে দিনের তুলনায় ইফতারের পর পাঠক সমাগম বেশি চোখে পড়ে বইমেলার বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মাঠ প্রাঙ্গণে।

জেআর