নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক এই মেয়র গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালতে জামিন পান। এরপর শহরজুড়ে তার মুক্তি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গতকাল (শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ এ আবেদন জানালো। ফলে সহসাই আইভীর মুক্তি মিলছে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডের ডাচবাংলা ভবনের নীচতলায় আগুনে মারা যায় ইন্টেরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডলসহ তিনজন। এ ঘটনায় কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মাসুম বিল্লাহ আইভীকে শ্যোন দেখানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তের এক পর্যায়ে তার নাম উঠে আসে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন:
আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন জানান, সেলিম মন্ডল হত্যা মামলাসহ সেলিনা হায়াত আইভীর বিরুদ্ধে মোট মামলা দাঁড়িয়েছে ১১টি। দুই দফায় তিনি ১০টি মামলায় জামিন লাভ করেছেন। তবে এর মধ্যে পাঁচটি আপিল বিভাগে স্থগিতাদেশ শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীকে গত ৯ মে দেওভোগের চুনকা কুটিরের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন। গত ৯ নভেম্বর উচ্চ আদালতের একটি দ্বৈত বেঞ্চ পাঁচ মামলায় আইভীকে জামিন দেন। পরবর্তীতে ১২ নভেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই জামিনের আদেশ স্থগিত করেন।





