তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামী নূর মোহাম্মদ নূরাকে গাজীপুরের মাওনা থেকে ও হযরত আলী নামে আরও এক আসামীকে ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
এ মামলায় গ্রেপ্তার আহম্মদ আলী দেওয়ানকে ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করেছে সদর উপজেলা বিএনপি। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু সালেহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন সাক্ষরিত দলীয় চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে এ মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তারের তথ্য দেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। এ নিয়ে কিশোরী হত্যা মামলার মোট ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এরপর জেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি সরিষা খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ানসহ ৫ জনকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মাধবদীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। বিচারের আশায় তারা যান স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহর কাছে। কিন্তু বিচার তো মেলেনি উল্টো এলাকা ছেড়ে যেতে বলা হয় তাদের।
এদিকে, ইউপি সদস্যের কাছে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। গত বুধবার রাতে মেয়েকে নিরাপদে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। কিন্তু বিলপাড় এলাকায় তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় নূরার নেতৃত্বে ছয়জন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে একই এলাকার সরিষা খেতে কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পাঠানো হয় সদর হাসপাতালের মর্গে।





