ইরান-ইসরাইল সংঘাত চলাকালে, গেলো জুনে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির ৩ পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে অপারেশন মিড নাইট হ্যামার নামে একটি অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় ফেলা হয় বি-টু বাঙ্কার বাস্টার বোমা।
এতে করে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পরমাণু ইস্যুতে চূড়ান্ত বিরোধপূর্ণ অবস্থানে চলে যায় ওয়াশিংটন ও তেহরান। সম্প্রতি ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলনের পর আবারও ফিরে এসেছে সেই প্রেক্ষাপট। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মানতে ক্রমাগত তেহরানকে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প। আর চুক্তি না হলে যে কোনো মুহূর্তে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কী হতে পারে এই হামলার পরিণতি— অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সেটাই পর্যালোচনার চেষ্টা করেছে তুরস্কের গণমাধ্যম তুর্কিয়ে টুডে। সেখানে বলা হচ্ছে, গেল জুনের মতো এবারও ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র একযোগে ইরানে হামলা চালালে বেঁধে যেতে পারে পারমাণবিক সংঘাত।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের পরমাণু স্থাপনা বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় তাহলে হয়তো বড় ঝুঁকি নেবে না ইরান। কিন্তু খামেনি প্রশাসনকে উৎখাতের উদ্দেশে হামলা চালানো হলে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়ে দুইবার ভাববে না তেহরান। শুরু হতে পারে সর্বাত্মক যুদ্ধও। কারণ, একবার কোণঠাসা হয়ে গেলে মরিয়া ইরান তার সর্বোচ্চ শক্তি নিয়েই আঘাত করবে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট-ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেছেন বহুবার। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের দূতও মন্তব্য করেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাধ্যমে ৭ দিনের ব্যবধানে পরমাণু বোমা তৈরির সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে সক্ষম ইরান। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের নয়া শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সর্বাত্মক যুদ্ধের ঝুঁকি নেবে কি না—সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।





