স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আনোয়ার হোসেন মুন্সী ও নুর ইসলাম পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে আনোয়ার মুন্সীর লোকজন নুর ইসলাম পক্ষের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে নুর ইসলাম গ্রুপের কয়েকজন আহত হন।
পরে নুর ইসলাম পক্ষের লোকজন একত্রিত হয়ে পাল্টা হামলা চালালে আনোয়ার মুন্সী, নিলু মুন্সীসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
আরও পড়ুন:
গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে রুপা বেগম, মিলন মুন্সী, দুলাল মুন্সী ও নূর ইসলাম সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া নূর ইসলামের চিকিৎসা চলছে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরাও ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।





