নিহতরা হলেন-কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর এলাকার মৃত, সিরাজুল ইসলামের দুই স্ত্রী আমেনা খাতুন (৬৫) ও কমেলা খাতুন (৬২), আমেনা খাতুনের মেয়ের জামাই সিএনজি চালক জাকারিয়া (৪০), একই এলাকার আশরাফুল (৪৫) তার স্ত্রী শিরিনা (৩০)। সিএনজি চালক জাকারিয়ার বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর এলাকায়।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানিয়েছে, মাসখানেক আগে জামাই জাকারিয়ার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর এলাকায় বেড়াতে যান তার দুই শাশুড়ি আমেনা খাতুন (৬৫) ও কমেলা খাতুন (৬২)।
এছাড়াও একই এলাকার আশরাফুল ও তার স্ত্রী শিরিনা খাতুন সিএনজিযোগে আজ বাড়ি ফেরার পথে শহর বাইপাস সড়কের কুষ্টিয়া স্টোর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক আসা একটি গ্যাসবাহী লরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই আমিনা কমলা ও জাকারিয়া নিহত হন, হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান আশরাফুল ও তার স্ত্রী শিরিনাও। এ ঘটনায় গ্যাসবাহী লরিটি জব্দ করা গেলেও পালিয়েছে চালক। নিহতদের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের (ওসি) আবু ওবায়েত এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। গ্যাসবাহি লরিটি জব্দ করা গেলেও পালিয়েছে চালক। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।





