গত ডিসেম্বর মাসে দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটার প্রেক্ষাপটে ভিসা ও কনস্যুলার সেবা স্থগিত করা হয়েছিল। ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে কূটনৈতিক কার্যক্রম সীমিত করা হয়। তবে সে সময় ব্যবসা ও কর্মসংস্থান ভিসা নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছিল।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বার্তা দিয়ে আসছে। দিল্লিতে ভিসা সেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারতও বাংলাদেশিদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, সিলেটে নিযুক্ত ভারতের জ্যেষ্ঠ কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশিদের জন্য ভারতও শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা পুনরায় চালু করবে। বর্তমানে চিকিৎসা ও ডাবল-এন্ট্রি ভিসা দেয়া হচ্ছে।’ অন্যান্য শ্রেণির ভিসাও দ্রুত চালু হবে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন:
এর আগে, এ সপ্তাহে ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণপত্রও হস্তান্তর করেন। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হতে পারে।
—ইন্ডিয়া টুডে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে





