এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ অ্যাপ দিয়ে তৈরি স্পাইডার-ম্যান ও ডেডপুলের মতো জনপ্রিয় কমিকস ক্যারাক্টারের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যার কারণে ডিজনি ও প্যারামাউন্টের মতো হলিউড স্টুডিওগুলোকে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ আনতে বাধ্য হয়েছে।
মূলত সিড্যান্স ২০২৫ সালের জুন মাসে প্রথম চালু হলেও, এর দ্বিতীয় সংস্করণ এবারই বড় মাত্রার চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভিডিওস্টেট ক্রিয়েটিভ স্টুডিও জান-উইলেম ব্লম বলেন, ‘প্রথমবারের মতো মনে হচ্ছে, ভিডিওটা সরাসরি কোনো রিয়েল লাইফ প্রোডাকশন হাউজ থেকে তৈরি করা হয়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পশ্চিমা একাধিক এআই ভিডিও মডেলের ডেভেলপমেন্ট করা হলেও চীনের সিড্যান্স অনেক এগিয়ে রয়েছে। এটি টেক্সট, ভিজুয়াল এবং অডিও সব একত্রিত করে পেশাদারি সিনেমার মতো বাস্তবসম্মত দৃশ্য তৈরি করতে সক্ষম।
এতে কিছু দৃশ্য এমনভাবে তৈরি হয়, যা দেখে মনে হয় যেন এটি কোনো অভিজ্ঞ সিনেমাটোগ্রাফার দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। অন্যান্য এআই টুল যেমন- ‘মিডজার্নি’ ও ‘ওপেনএআইয়ের সোরা’ ছোট ছোট লেখা প্রম্পট দিয়েই ভিডিও তৈরি করতে পারে, কিন্তু তাতে এখনও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এআই কোম্পানিগুলো প্রযুক্তিকে মানুষের ওপরে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং ডাটা ব্যবহার করছে বিনা অনুমতিতে।
এমনই নানাবিধ আইনি জটিলতা থাকলেও ছোট মুভি স্টুডিও বা সিনেমা প্রোডাকশন হাউজগুলো এ অ্যাপের ব্যবহারের সুবিধা দেখছে। তারা বলছে, কম বাজেটে সায়েন্স ফিকশন বা অ্যাকশন ধাঁচের ভিডিও বানানো এখন সহজ হয়েছে।
চীনের সিড্যান্স এআই ও রোবোটিক্সে অগ্রগতিতেও কাজ করছে বলে জানিয়েছে। গত বছর এআই মডেল ডিপসিক সাফল্যের পর চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো জেনারেটিভ এআই, অটোমেশন ও চিপ উৎপাদনে বিনিয়োগ আরও বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৬ সালে হতে পারে চীনে এআই নির্ভর ভিডিও প্রোডাকশনের নতুন এক অধ্যায়।





