খুচরা পোশাক ব্যবসায়ীদের কাছে বিগত দুই ঈদের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিলো না। রাজনৈতিক অস্থিরতা আর দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো না থাকায় কমে যায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা। যার ফলে খুচরা পর্যায়ে পোশাক বিক্রি নামে প্রত্যাশার তুলনায় অর্ধেকে। সবমিলিয়ে অনেকটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের।
তবে এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। রমজানের আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কেটেছে রাজনৈতিক সংকট। নতুন সরকারের শপথের মধ্য দিয়ে স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মাঠ। আর এতেই আশার আলো দেখছেন পোশাক ব্যবসায়ীরা।
রমজানের শুরুতে রাজধানীর বিপণি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা খুব একটা না থাকলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের।
আরও পড়ুন:
ক্রেতারা জানান, নতুন সরকার এসেছে, মানুষের মধ্যে কোনো আতঙ্ক নেই। রাস্তায় তারা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছে, তাই তারা মনে করছেন এ বছর কেনাকাটা বেশি হবে।
বিক্রেতারা জানান, আগের বছর ঠিকমতো কেনাবেচা করতে পারেননি তারা। এ বছর আশা করছেন তারা বেশি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে রোজার শুরুতেই শার্ট-প্যান্ট, নারীদের হরেক রকমের পোশাক আর কসমেটিকস দিয়ে দোকান সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। আর এসব পণ্য চাহিদামতো কিনতে পেরে অনেকটাই খুশি ক্রেতারাও।
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘এখন ক্রেতাদের চাপ একটু কম থাকায় শপিং করতে এসেছি। দাম মোটামুটি কন্ট্রোলে আছে আর কালেকশনও ভালো রয়েছে দোকানগুলোতে।’
অতীতের সব সংকট কেটে ব্যবসায়ীরা যেন তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, একই সঙ্গে ক্রেতারাও যাতে চাহিদামতো পণ্য ন্যায্যমূল্যে কিনতে পারেন সেই প্রত্যাশাই করছেন সাধারণ মানুষ।





