Recent event

রমজানকে স্বাগত জানানোর কয়েকটি সেরা উপায় জেনে নিন

রমজান
রমজান | ছবি: এখন টিভি
0

আর মাত্র কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস (Holy Month of Ramadan)। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের এই মাসকে যথাযথ প্রস্তুতি, আনন্দ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে বরণ করা প্রতিটি মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, মুমিনদের ওপর রোজা (Fasting) ফরজ করা হয়েছে যাতে তারা তাকওয়া বা সংযম অর্জন করতে পারে। রমজান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহের মুহূর্ত। এই মাসকে সফল করতে পাঁচটি বিশেষ করণীয় নিচে তুলে ধরা হলো—

১. বিশেষ দোয়া ও আন্তরিকতা (Special Supplication and Sincerity)

রমজান আসার আগেই আল্লাহর কাছে দোয়া (Dua for Ramadan) করা উচিত যেন তিনি আমাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে এই মাস পাওয়ার তাওফিক দান করেন। নবীজি (সা.) রজব ও শাবান মাসে দোয়া করতেন যেন আল্লাহ আমাদের রমজানে পৌঁছে দেন। তাই রমজানের চাঁদ দেখে নিরাপত্তা ও ঈমানের দোয়া করা মুমিনের অন্যতম কাজ।

আরও পড়ুন:

২. কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ (Expressing Gratitude and Joy)

রমজান পাওয়া আল্লাহর এক মহান নেয়ামত। তাই এই মাস এলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো এবং আনন্দ প্রকাশ করা সুন্নত। সাহাবায়ে কেরাম রমজান শুরু হলে একে অপরকে শুভেচ্ছা (Ramadan Greetings) জানাতেন। নবীজি (সা.) নিজেও সাহাবাদের রমজানের সুসংবাদ দিতেন।

৩. পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প (Planning and Determination)

রমজানকে সফল করতে হলে মাসব্যাপী একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা (Ramadan Daily Routine) প্রয়োজন। কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত (Quran Recitation), সাহরি ও ইফতারের সময় ঠিক রাখতে আলাদা সূচি করা জরুরি। পাশাপাশি অতীতের গুনাহ থেকে আন্তরিকভাবে তাওবা করে নতুন করে জীবন সাজানোর সংকল্প নিতে হবে।

৪. রোজার বিধান ও মাসআলা জানা (Learning Rules of Fasting)

রোজা সম্পর্কিত সঠিক মাসআলা-মাসায়েল (Rules and Regulations of Fasting) জানা অত্যন্ত জরুরি। রোজা মানে শুধু না খেয়ে থাকা নয়, বরং মন্দ কথা ও অন্যায় কাজ থেকেও নিজেকে সংযত রাখা। নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা ও অন্যায় কাজ ছাড়ে না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন:

৫. দান, উদারতা ও মানবিকতা (Charity and Humanity)

রমজান হলো দান ও সহমর্মিতার মাস (Month of Charity)। এই সময়ে আত্মীয়-প্রতিবেশী ও অসহায় মানুষদের সহায়তা করা উচিত। নবীজি (সা.) রমজানে সাধারণ সময়ের চেয়েও বেশি দানশীল হতেন। যাকাত ও সদকা (Zakat and Sadqah) আদায়ের মাধ্যমে গরিবদের পাশে দাঁড়ানো এবং ইফতারে অন্যকে শরীক করা এই মাসের অন্যতম শিক্ষা।

ক্রমিক করণীয় পদক্ষেপ (Actions) মূল লক্ষ্য (Objective)
বিশেষ দোয়া ও আন্তরিকতা সুস্থতা ও নিরাপত্তার সাথে রমজান পাওয়ার তাওফিক প্রার্থনা করা।
কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশ নেয়ামত হিসেবে রমজানকে হাসিমুখে বরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়।
পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প ইবাদতের সঠিক সূচি তৈরি এবং গুনাহ ত্যাগের অঙ্গীকার।
রোজার বিধান জানা ভুলভ্রান্তি এড়াতে রোজার সঠিক মাসআলা-মাসায়েল শিক্ষা করা।
দান ও মানবিকতা অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো এবং যাকাত-সদকা আদায়ে গুরুত্ব দেওয়া।
রমজান হোক আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাস

আরও পড়ুন:

এসআর