বরকত
শবে কদরের মহিমা: এ রাতে যেসব রহমত নাজিল হয়

শবে কদরের মহিমা: এ রাতে যেসব রহমত নাজিল হয়

পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রাত হলো লাইলাতুল কদর (Lailatul Qadr) বা শবে কদর। এই রাতের মর্যাদা, ফজিলত ও বরকত এতটাই মহান যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই রাতের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা—সুরা আল-কদর (Surah Al-Qadr) নাজিল করেছেন। শবে কদর হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত (Special Mercy) নাজিল, ফেরেশতাদের আগমন এবং বান্দার দোয়া কবুল হওয়ার এক অনন্য রজনী।

মাহে রমজানের বিশেষ প্রতিদান, রোজাদারদের জন্য জান্নাতের যে দরজা উন্মুক্ত থাকবে

মাহে রমজানের বিশেষ প্রতিদান, রোজাদারদের জন্য জান্নাতের যে দরজা উন্মুক্ত থাকবে

পবিত্র মাহে রমজান (Ramadan) হলো রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন আত্মশুদ্ধি এবং ঈমান মজবুত করার জন্য। সিয়াম সাধনার (Fasting) মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার এই মহতী সুযোগে রোজাদারদের জন্য আল্লাহ রেখেছেন এক বিশেষ পুরস্কার।

রোজার প্রকৃত শিক্ষা কী? আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনে মাহে রমজানের গুরুত্ব জানুন

রোজার প্রকৃত শিক্ষা কী? আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনে মাহে রমজানের গুরুত্ব জানুন

আবারও ফিরে এসেছে বছরের সেরা এবং পবিত্রতম মাস—পবিত্র রমজান (Holy Ramadan)। মহান আল্লাহর দরবারে অশেষ শুকরিয়া, তিনি আমাদের আরও একবার তার অগণিত রহমত (Mercy), বরকত (Blessings) ও মাগফিরাতের (Forgiveness) এই মহিমান্বিত মাসে উপনীত হওয়ার তাওফিক দান করেছেন। রমজান হলো মহান আল্লাহর এক অফুরন্ত রহমতের মহাসাগর। যে সৌভাগ্যবান বান্দা এই ইবাদতের সাগরে নিমজ্জিত থাকে, সে অর্জন করতে পারে অমূল্য মণি-মুক্তা—ক্ষমা, আত্মশুদ্ধি (Self-purification) ও আল্লাহর নৈকট্য।

রমজানকে স্বাগত জানানোর কয়েকটি সেরা উপায় জেনে নিন

রমজানকে স্বাগত জানানোর কয়েকটি সেরা উপায় জেনে নিন

আর মাত্র কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস (Holy Month of Ramadan)। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের এই মাসকে যথাযথ প্রস্তুতি, আনন্দ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে বরণ করা প্রতিটি মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন, মুমিনদের ওপর রোজা (Fasting) ফরজ করা হয়েছে যাতে তারা তাকওয়া বা সংযম অর্জন করতে পারে। রমজান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহের মুহূর্ত। এই মাসকে সফল করতে পাঁচটি বিশেষ করণীয় নিচে তুলে ধরা হলো—

রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষায় আধিপত্য ইংরেজির!

রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষায় আধিপত্য ইংরেজির!

একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু বাংলাভাষীদের জন্য নয় এটি সকল ভাষাভাষীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো দিন। ১৯৫২ সালে বুকের তাজা রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষা আজ বিদেশি ভাষার দখলে। শহরের স্কুল-কলেজ থেকে বিপণিবিতান, সর্বত্র ইংরেজির আধিপত্য। ভাষা পরিবর্তনশীল, তবে অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাকে দুর্বল করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি উদ্যোগে বাংলার ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।