নির্বাচনের আর বাকি চারদিন। শেষ দিকের প্রচারণায় দিন-রাত প্রচারণায় ব্যস্ত রাজধানীর বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা। গতকাল (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান তার মেয়ে জাইমা রহমান। গুলশান এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘুরে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান তিনি।
বিকেলে ঢাকা-১৫ নিজ আসনের মিরপুর-১০ এলাকায় জামায়াত প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের প্রচারণায় অংশ নেন নারী নেত্রী, কর্মী ও সমর্থকরা। ভোট চান দাঁড়িপাল্লায়।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘মানুষ এখন পুরাতন ব্যবস্থার রাজনীতি চাচ্ছে না। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ তারা পুরনো কাসুন্দির রাজনীতি মোটেই পছন্দ করছে না।’
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসমিন জারা সবুজবাগে গণসংযোগ করেন। বিজয়ী হলে নাগরিক সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সন্ধ্যায় নিজ আসন ঢাকা-১৪ এর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ব্যারিস্টার আরমান। গুরুত্ব দেন মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গড়ে তোলার। এই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি প্রচারণায় তুলে ধরেন নানা প্রতিশ্রুতি।
ঢাকা-১১ এর বাড্ডার ফকিরখালীতে গণসংযোগ করে দেশের পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম। অন্যদিকে রামপুরায় নিজের আসনে প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্রের সংস্কৃতির জন্য আমাদের ডায়ালোগ হওয়া প্রয়োজন। জনসম্মুখে দাঁড়িয়ে সবাই যার যার বক্তব্য যার যার পরিকল্পনা জনগণকে নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করবে। আধুনিক গণতন্ত্রের চর্চা যেখানেই হয় সেখানে এ প্র্যাকটিসগুলো আছে।’
বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, ‘চাঁদামুক্ত ঢাকা-১১ আসন করতে চাই। আমার ওপর মানুষ আস্থা রেখেছে। কারণ বিগত সময় দুই যুগ আমি কমিশনার ছিলাম। এ এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধান করেছি।’
এরআগে, সকালে ঢাকা-৩ আসনের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে প্রচারণায় অংশ নেন বিএনপি প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। হাজারীবাগে ঢাকা-১০ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার পথসভায় অংশ নিয়ে দাঁড়িপাল্লাসহ গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
বিএনপি প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ঢাকায় ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই। এ মুহূর্তে বড় দাবি যদি পাই সরকার পরিচালনার দায়িত্ব তাহলে একটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চালু করা হবে।’
প্রচারণা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।



 M Sakhawat Hossain-320x167.webp)
