জাপানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত হলো। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সাল থেকে উভয় পক্ষের নিবিড় ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এ চুক্তিটি স্বাক্ষর সম্ভব হয়েছে। এ প্রতিরক্ষা চুক্তি দুই দেশের মধ্যে গভীর পারস্পরিক আস্থা, সমন্বিত দৃষ্টি, এবং সহযোগিতার প্রতিফলন, যা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দূরদর্শী ও কার্যকর কূটনীতির ফলে অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
এ চুক্তি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবে বলে আশা করা হয়। এই চুক্তিটি জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলির সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতি রেখে সম্পাদন করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় উন্নত প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম অধিগ্রহণ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করবে।
পাশাপাশি, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
এ ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক বিশেষজ্ঞ বিনিময় বৃদ্ধি পাবে, যা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই সাথে উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক ও সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে ধারনা করা হয়।





