জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল বরিশালের সমাবেশ শেষে দুপুর পৌনে দুইটায় হেলিকপ্টার যোগে শহরের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট মাঠে অবতরণ করবেন তারেক রহমান। এরপর সেখান থেকে গাড়ি যোগে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন।
এ সভায় বৃহত্তর ফরিদপুরের ফরিদপুর, রাজবাড়ি, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও শরিয়তপুরের নেতাকর্মীরা যোগ দেবেন। এতে দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। এ লক্ষ্যে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকবেন। এছাড়া নিজস্ব দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে।
আজ (মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সমাবেশস্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলেজ মাঠের অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনের অংশে জোরে শোরে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। এছাড়া মাঠজুড়ে সাউন্ড সিস্টেম, মাইক ও সাউন্ড বক্স বসানোর কাজ চলছে। এ সময় সেখানে ফরিদপুর বিভাগীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাঠে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগীয়) খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক বলেন, ‘তারেক রহমান আগমন উপলক্ষ্যে ফরিদপুরে সাজ সাজ রব বইতে শুরু করেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। এখানে সর্ববৃহৎ সমাগম হবে।’
তিনি বলেন, ‘এ সমাবেশকে সফল করার জন্য ফরিদপুর জেলা বিএনপির সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। রাতের মধ্যে আধুনিকায়নভাবে মঞ্চ প্রস্তুত হয়ে যাবে। এ জনসভা ঘিরে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন। এছাড়া সিএসএফ বাহিনী নিজস্ব নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে সমাবেশস্থল।’
এদিকে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নানা প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। ফরিদপুর বিভাগ, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়ন অন্যতম দাবি তাঁদের।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরছ আলী ইছা বলেন, ‘বিগত দিনে ফরিদপুরে উন্নয়নের কথা বলে ফাঁকা বুলি ছড়ানো হয়েছে। তাই তারেক রহমানের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর কাছে আমাদের ফরিদপুর বিভাগ বাস্তবায়ন দাবি রয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পাঞ্চল করার প্রত্যাশা রয়েছে। এসব বিষয়গুলি আমরা জনসভায় উপস্থাপন করব।’
অপরদিকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বেলা ১১ টা থেকে ধাপে ধাপে মাঠ পরিদর্শন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা জেনেছি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ জনসভায় বৃহত্তর ফরিদপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মাঠে থাকবে। আশা করি, শান্তিপূর্ণভাবে তারা সমাবেশ করতে পারবেন।’





