Recent event

সীমিতভাবে খুলেছে রাফাহ ক্রসিং, কঠোর নিয়মে যাতায়াত গাজাবাসীর

রাফাহ ক্রসিং
রাফাহ ক্রসিং | ছবি: সংগৃহীত
0

মিশরের সিনাই উপদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত রাফাহ ক্রসিংটি গাজার ২০ লাখের বেশি মানুষ ভরসার নাম। ক্রসিংয়ের পাশের রাফাহ শহরটিতে একসময় প্রায় আড়াই লাখ মানুষের আবাস ছিল। যুদ্ধের শুরুতে প্রায় এক লাখ ফিলিস্তিনি গাজা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন, যাদের অনেকেই এখন পরিবারে ফিরতে চান। পাশাপাশি, জরুরি চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে ইচ্ছুক প্রায় ২০ হাজার রোগী রয়েছেন। যে কারণে রাফাহ ক্রসিং গাজাবাসীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

গাজার রাফাহ ক্রসিং। মিশরের সঙ্গে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটির একমাত্র সংযোগ হলো এটি। প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর সীমিত আকারে আবার খুলেছে রাফাহ ক্রসিং। শুরুতে পায়ে হেঁটে যাতায়াতের অনুমতি দেয়া হলেও, সোমবার থেকে সীমিত আকারে চলাচল করছে যানবাহন। ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইল রাফাহ ক্রসিং দখল করে। বন্ধ হয়ে যায় ভূখণ্ডটির একমাত্র সংযোগ পথ। পুনরায় খোলায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ওপারে যাওয়া বা মাতৃভূমিতে ফিরে আসার আশায় থাকা অনেক ফিলিস্তিনির মধ্যে ফিরেছে স্বস্তি।

রাফাহ ক্রসিংটি গাজার দক্ষিণ সীমান্তে, মিশরের সিনাই উপদ্বীপের সঙ্গে যুক্ত। এটি গাজার ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রায় একমাত্র প্রবেশ ও প্রস্থান পথ। ক্রসিংয়ের পাশের রাফাহ শহরটি একসময় প্রায় আড়াই লাখ মানুষের আবাস ছিল। তবে এখন ইসরাইলি অভিযানে সম্পূর্ণ ধ্বংস ও জনশূন্য।

আরও পড়ুন:

বর্তমানে গাজার দিক থেকে রাফাহ ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী, আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণে আছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ছবিতে কাঁটাতার-ঘেরা উঁচু বেড়া ও ধাতব–কংক্রিটের দেয়াল দেখা যায়, যা ক্রসিংটির কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

গাজার রাফাহ সীমান্ত দিয়ে চলাচলের অনুমতি মিললেও, চলাচল করতে হচ্ছে কঠোর নিয়মকানুনের মধ্য দিয়ে। ফিলিস্তিনি সূত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন গাজায় প্রবেশ ও ৫০ জন বের হতে পারবেন। যুদ্ধের শুরুতে প্রায় এক লাখ ফিলিস্তিনি গাজা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন, যাদের অনেকেই এখন পরিবারে ফিরতে চান। পাশাপাশি, জরুরি চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে ইচ্ছুক প্রায় ২০ হাজার রোগী রয়েছেন।

রাফাহ সীমিতভাবে খুললেও গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে, ফলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপরই নির্ভরশীল। গাজার অন্য প্রধান ক্রসিং কেরেম শালোম দক্ষিণে অবস্থিত।

যুদ্ধকালেও বেশিরভাগ সময় মানবিক সহায়তা ও পণ্য প্রবেশে ব্যবহৃত হয়েছে। যদিও সাধারণ ফিলিস্তিনিদের যাতায়াত নিষিদ্ধ। অন্যদিকে, উত্তরের ইরেজ ক্রসিং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে বন্ধ। আর অন্যান্য কিছু প্রবেশপথ মাঝে মাঝে কেবল সহায়তা প্রবেশে ব্যবহৃত হয়েছে।

এএম