আরও পড়ুন:
শীর্ষে আব্দুল আউয়াল মিন্টু (Top Candidate Abdul Awal Mintu)
তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন ফেনী-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তার ও তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ৬০৭ কোটি টাকা (607 Crore Taka)। পেশায় ব্যবসায়ী এই নেতার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিশাল পাহাড় থাকলেও ব্যাংকঋণের পরিমাণও ২৮০ কোটি টাকা।
বিএনপি প্রার্থীদের আধিপত্য (Dominance of BNP Candidates)
শীর্ষ ১০-এর মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানেও রয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। চট্টগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর (Aslam Chowdhury) পরিবারের সম্পদ ৪৭৪ কোটি টাকা এবং ময়মনসিংহ-১১ আসনের ফখর উদ্দিন আহমেদের সম্পদ ২৯৯ কোটি টাকা। তালিকায় থাকা বিএনপির অন্য প্রার্থীরা হলেন জাকারিয়া তাহের (২৯২ কোটি), মো. জালাল উদ্দীন (২৪৯ কোটি), গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (২০৪ কোটি) এবং মো. সফিকুর রহমান (১৮৫ কোটি)।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা (Independent Candidates' Wealth)
এবারের নির্বাচনে ২৫৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর (Independent Candidates) মধ্যে তিনজন শীর্ষ ১০-এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। টাঙ্গাইল-৮ আসনের সালাউদ্দিন আলমগীর (২৮৩ কোটি), তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এম এ এইচ সেলিম (২৬২ কোটি) এবং নোয়াখালী-৬ আসনের মোহাম্মদ ফজলুল আজিম (১৯০ কোটি)।
বিশ্লেষকদের উদ্বেগ (Expert Opinions)
নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রার্থীদের বিপুল সম্পদের পাশাপাশি বড় অঙ্কের ব্যাংকঋণ (Bank Loan) থাকলে তা নির্বাচিত হওয়ার পর স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) তৈরি করতে পারে। টিআইবি জানিয়েছে, অন্তত ২৬ জন প্রার্থী রয়েছেন যাদের সম্পদ শতকোটি টাকার উপরে। কোটিপতি প্রার্থীদের আধিপত্য নির্বাচনি ব্যবস্থায় সৎ ও যোগ্য প্রার্থীর সংকট তৈরি করছে কি না—সেই প্রশ্ন তুলছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সূত্র: ইসিতে জমা দেওয়া হলফনামা এবং টিআইবির বিশ্লেষণ। সম্পদের সাথে প্রার্থীর স্ত্রী-সন্তানের সম্পদও যুক্ত করা হয়েছে।





