Recent event

বাফুফের নতুন জার্সির পরিকল্পনা জানালো কিট স্পন্সর ব্র্যান্ড

বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা
বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা | ছবি: এখন টিভি
0

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অফিসিয়াল কিট স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয় দেশিয় ব্র্যান্ড দৌড়। নতুন বছরে কেমন হবে বাংলাদেশ দলের জার্সি, বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ও দাম সেসব বিষয় তুলে ধরেছেন ব্র্যান্ডটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবিদ আলম চৌধুরী।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের জন্য বাফুফের অফিসিয়াল কিট স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয় দৌড়। বাংলাদেশ দলের জার্সি তৈরিতে অনেকটা সাড়াই ফেলে দেশিয় ব্র্যান্ডটি।

প্রথমবার এমন বড় প্রোজেক্ট, এক বছরের এ সময়টা ছিলো শিক্ষণীয়। এক বছরে জার্সি বিক্রিতে ব্যবসা কেমন করলো প্রতিষ্ঠানটি। দেশের জার্সিতে হামজা চৌধুরী যোগ দেয়ায় নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন দৌড়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবিদ আলম চৌধুরী। জার্সি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রাতেও আছে নজর।

আবিদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘হামজা আসায় এ ইফেক্ট আসবে বা ভাইব উঠবে এটি আমরাও এক্সপেক্ট করিনি। এটি আমাদের জন্য অনেক বড় ব্লেসিং ছিলো। নিউ ইয়ার টার্গেট হলো আমরা ৫০ হাজার জার্সি সেল করবো। এটি অনেক বড় টার্গেট। তবে এর রেপ্লিকা না থাকলে আরও তিনগুণ বেশি বিক্রি করতে পারতাম।’

নতুন বছরে বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন ডিজাইনের জার্সি আসবে। তবে তা এশিয়ান কাপের বাছাই ও মেয়েদের মূল পর্বের পর। এএফসির গাইডলাইন অনুযায়ী আগের ডিজাইনের জার্সিতেই এশিয়ান কাপের জন্য ফটোশ্যুট করার প্রস্তুতি সারছে দৌড়।

আরও পড়ুন:

আবিদ আলম চৌধুরী বলেন, ‘মেইন জার্সির ক্ষেত্রে আমরা খুব বেশি চেঞ্জ আনতে পারবো না। এএফসি অলরেডি অ্যাপ্রুভ করা। যেহেতু সেম টুর্নামেন্ট তাই বেশি চেঞ্জ আসবে না। মেয়েদের ক্ষেত্রে মূল ইস্যুটা যা হয়, মূল প্লেয়ারগুলো লাস্ট মোমেন্টে আসে। যেহেতু বেশিরভাগ প্লেয়ারই ভুটানে থাকেন। আর কোচের পারমিশন লাগে ওই সময় কম টাইম থাকার কারণে পসিবল হয় না। এবছর আমরা পারমিশনের জন্য বলেছি। আমাকে জানানো হয়েছে ৮ তারিখের মধ্যে করতে হবে।’

খরচের কথা বিবেচনা করে নতুন জার্সির দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি। হামজা-শোমিতদের অফিসিয়াল জার্সি ভক্তদের কাছে পৌঁছে দিতে দৌড়ের আছে বিশেষ পরিকল্পনাও।

আবিদ আলম বলেন, ‘ফাইনাল প্রাইজ আমরা নির্ধারণ করতে পারবো যখন জার্সি ডিজাইন কমপ্লিট হয়ে যাবে। ডিজাইনের ওপর প্রাইজ নির্ধারিত হয়।’

বিদেশি দলের জার্সি নয় এখন দেশের ফুটবল প্রেমীরা পড়ছেন বাংলাদেশের জার্সি। তবে অফিসিয়াল জার্সি যত্রতত্র নকল হওয়ার মাত্রা বাড়ায় এ খাতে পৃষ্ঠপোষকদের আগ্রহ কম। সংশ্লিষ্টদের আশা এসব রোধ করা গেলে সব ধরণের খেলায় কিট স্পন্সরদের আসার আগ্রহ বাড়বে।

এফএস