এসময় প্রার্থীরা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ বাজায় রাখার পাশাপাশি, নির্বাচিত হলে সবার মতামত ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। একইসঙ্গে বিজয়ী প্রার্থী অন্য সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে সমন্বয় করে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ঘোষণাও দেন।
সুশাসন, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাঙামাটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুজন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত করতে এবং ভোটাররা সচেতনভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন এ লক্ষ্যেই সুজন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুরে ১২টা পর্যন্ত রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা নিজেদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন:
রাঙামাটির একমাত্র আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে এ অনুষ্ঠানে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা (কোদাল), গণঅধিকার পরিষদের মো. আবুল বাশার (ট্রাক), ও জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার (লাঙ্গল) উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রার্থীরা সুজনের লিখিত অঙ্গীকারনাময় স্বাক্ষর করে এবং হাত তুলে সংহতি প্রকাশ করেন। পরে ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রার্থীরা। অনুষ্ঠানে সুজনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী দীলিপ কুমার সরকার ভোটারদের শপথবাক্য পাঠ করান।
সুজনের রাঙামাটি সম্পাদক এম জিসান বখতেয়ার বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সরাসরি জনগণের সামনে হাজির করে তাদের পরিকল্পনা শোনা এবং ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেয়ার সুযোগ করে দিতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে সুজনের রাঙামাটি জেলার সভাপতি অ্যাডভোকেট দীননাথ তঞ্চঙ্গ্যা সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুজনের জেলা সম্পাদক এম জিসান বখতেয়ার। প্রার্থীদের অঙ্গীকারনামা উপস্থাপন করেন অ্যাডভেকেট কক্সী তালুকদার। অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।





