গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম হোসেন বলেন, আজ থেকে বিজিবি নিয়োজিত করা হয়েছে তার মানে এই নয় যে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা বা কোনোকিছুর জন্য করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সদর, টঙ্গী, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর ও কাপাসিয়া উপজেলাসহ গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। তফসিলের পর থেকেই সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। তাদের সঙ্গে শুক্রবার সকাল থেকে ১৪ প্লাটুন বিজিবির সদস্যও জেলাশহরসহ পাঁচটি উপজেলায় তারা টহল দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নির্বাচনি অফিস, সংবেদনশীল কেন্দ্রের আশপাশ এবং জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে আরও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে। সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে এই টহল কার্যক্রম নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
গাজীপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাসুদ আল ফেরদৌস বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়ন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।’
গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন বলেন, ‘নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে আজ সকাল থেকে ১৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’





