আজ (বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি) পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এছাড়া পেট্রোবাংলার এক সূত্রে জানা যায়, ইকসিডের রায়ে পুড়ে যাওয়া গ্যাসের দাম ও পরিবেশগত ও অন্যান্য ক্ষতি বাবদ ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রীদের জন্য ফ্ল্যাট-সুইমিংপুল সংক্রান্ত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন-বিভ্রান্তিকর’ বলছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
এর আগে, সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ২০০৩ সালে গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব পায় নাইকো। তবে অদক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় না রাখায় ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং ২৪ জুন দু’বার সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে পুড়ে যায় প্রায় ৮ বিলিয়ন ঘনফুট মূল্যবান গ্যাস। এ বিস্ফোরণে আশপাশের জনপদ ও পরিবেশও বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ঘটনায় পেট্রোবাংলা ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭৪৬ কোটি টাকা দাবি করলেও নাইকো তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে নাইকোর অব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক পেট্রোলিয়াম শিল্পের মানদণ্ড অনুসরণে ব্যর্থতার বিষয়টি এবং এটিই বিস্ফোরণের কারণ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বাপেক্স প্রায় ৯ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছিল, যার ধারাবাহিকতায় এ চূড়ান্ত আদেশ এলো।





