আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামে জামায়াত নেতা ও ভূঞাপুর ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কাজী নূরুল ইসলাম ভোটারদের মাঝে নগদ টাকা বিতরণ করছেন—এমন অভিযোগ তুলে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিকেলে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানান, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রবিউল আলম।
আরও পড়ুন:
অভিযোগে বলা হয়, জগৎপুরা এলাকায় ভোট চাইতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাধা দেন। এসময় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা জামায়াত নেতাকর্মীদের মারধর করেন, গলায় থাকা মাফলার টেনে ছিঁড়ে ফেলেন এবং সঙ্গে থাকা একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। হামলার সময় তাদের সঙ্গে থাকা অন্য কর্মীরাও আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘নির্বাচনি মাঠে আমাদের জনপ্রিয়তা ও গণসমর্থন দেখে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
তিনি সাধারণ জনগণকে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সত্য যাচাই করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
শেষে জামায়াত নেতারা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।





