একনজরে: সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ২০২৬
- পরীক্ষার তারিখ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
- পরীক্ষার স্থান: স্ব-স্ব জেলা পর্যায়ে (District Level) মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
- কাগজপত্র জমার শেষ সময়: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
- কোথায় জমা দেবেন: নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে (District Primary Education Office) সশরীরে গিয়ে জমা দিতে হবে।
- সত্যায়ন (Attestation): সকল সনদের ফটোকপি ন্যূনতম ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার মাধ্যমে সত্যায়িত হতে হবে।
- প্রাপ্তি স্বীকারপত্র: কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে অবশ্যই একটি 'প্রাপ্তি স্বীকারপত্র' (Acknowledgment Slip) সংগ্রহ করতে হবে।
- মূল কপি প্রদর্শন: জেলা অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় এবং মৌখিক পরীক্ষার দিন সকল সনদের মূল কপি (Original Certificates) সঙ্গে রাখতে হবে।
- ইন্টারভিউ বোর্ড: যেসব জেলায় প্রার্থী সংখ্যা বেশি, সেখানে একাধিক বোর্ড কাজ করবে।
- সময়সূচী জানার মাধ্যম: সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে বিস্তারিত সময়সূচী পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
কাগজপত্র জমা ও সত্যায়ন (Document Submission & Attestation)
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের তাদের সকল প্রয়োজনীয় সনদ ও আবেদনপত্রের কপি ন্যূনতম ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তার (Gazetted Officer) মাধ্যমে সত্যায়িত করতে হবে। সত্যায়িত এই সেটটি আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে (District Primary Education Office) জমা দিয়ে অবশ্যই প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (Acknowledgment Slip) সংগ্রহ করতে হবে। কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় মূল কপিগুলো (Original Documents) যাচাইয়ের জন্য প্রদর্শন করতে হবে।
ভাইভার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা (List of Required Documents)
মৌখিক পরীক্ষার সময় ও অফিসে জমা দেওয়ার জন্য যে কাগজগুলো লাগবে:
- অনলাইন আবেদনের কপি ও আপলোডকৃত ছবি (Online Application & Photo)
- প্রবেশপত্র - লিখিত পরীক্ষা (Admit Card - Written Exam)
- নাগরিকত্ব সনদ (Citizenship Certificate)
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি (NID Card)
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল মূল সনদ (Educational Certificates)
- কোটার প্রার্থীদের জন্য সংশ্লিষ্ট সনদ (মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ)
আরও পড়ুন:
পরীক্ষার বোর্ড ও সময়সূচী (Viva Board & Schedule)
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব জেলায় প্রার্থীর সংখ্যা বেশি সেখানে একাধিক ইন্টারভিউ বোর্ড (Interview Board) গঠন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার বিস্তারিত তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।
ভাইভা বোর্ডে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (Common Viva Questions)
ভাইভা বোর্ডে সাধারণত তিন ধরণের প্রশ্ন করা হয়: ব্যক্তিগত, বিষয়ভিত্তিক এবং সাধারণ জ্ঞান।
- পরিচয়: নিজের সম্পর্কে এবং পরিবারের সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন। (Introduce yourself).
- পেশা নির্বাচন: আপনি কেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে চান? (Why do you want to be a teacher?)
- নিজ জেলা: আপনার জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি, স্থান বা ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী? (Your district significance).
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: আপনার পঠিত বিষয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখতে পারেন?
- জাতীয় বিষয়াবলী: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ, সাত বীরশ্রেষ্ঠ এবং বর্তমান সরকারের প্রধান অর্জনসমূহ (যেমন: ডিজিটাল বাংলাদেশ বা মেগা প্রকল্প)।
- পেশাগত জ্ঞান: একটি আদর্শ ক্লাসরুম আপনি কীভাবে পরিচালনা করবেন? শিশুদের পাঠদানে কী ধরণের কৌশল অবলম্বন করা উচিত?
আরও পড়ুন:
ভাইভা বোর্ডে আদর্শ পোশাক (Ideal Dress Code)
পুরুষ প্রার্থীদের জন্য:
- পোশাক: হালকা রঙের ফুল হাতা ফরমাল শার্ট (সাদা বা আকাশী নীল) এবং গাঢ় রঙের প্যান্ট (কালো বা নেভি ব্লু)। টাই পরা বাধ্যতামূলক নয়, তবে পরলে মার্জিত রঙের হওয়া উচিত।
- জুতা: ফরমাল কালো বা খয়েরি রঙের সু এবং অবশ্যই মোজা।
- অন্যান্য: চুল ও নখ ছোট রাখা এবং ক্লিন শেভ করা উত্তম (ধর্মীয় কারণ ব্যতীত)।
নারী প্রার্থীদের জন্য:
- পোশাক: মার্জিত রঙের শাড়ি (সুতি বা সিল্ক) সবচেয়ে জুতসই। এছাড়া ফরমাল সালোয়ার কামিজ পরলে সেটি যেন খুব বেশি কারুকার্যময় বা উজ্জ্বল না হয়।
- জুতা: সাধারণ বা মাঝারি হিলযুক্ত স্যান্ডেল। হাঁটার সময় শব্দ হয় এমন জুতা এড়িয়ে চলুন।
- সাজসজ্জা: খুব বেশি অলঙ্কার বা উগ্র মেকআপ এড়িয়ে চলা ভালো।
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২৬: কোন জেলায় কতজন উত্তীর্ণ? দেখে নিন জেলাভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল: জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণের সংখ্যা
ক্রমিক
জেলার নাম
উত্তীর্ণ সংখ্যা
ক্রমিক
জেলার নাম
উত্তীর্ণ সংখ্যা
১ কক্সবাজার ৭১০ ৩২ পাবনা ৭৬৪ ২ কিশোরগঞ্জ ১০৯৬ ৩৩ পিরোজপুর ১২৬০ ৩ কুড়িগ্রাম ২৪৬০ ৩৪ ফরিদপুর ৮৭৬ ৪ কুমিল্লা ২৫৬৪ ৩৫ ফেনী ৪৯৯ ৫ কুষ্টিয়া ১১৭৪ ৩৬ বগুড়া ১৫৫০ ৬ খুলনা ১৪০৫ ৩৭ বরগুনা ৯৯০ ৭ গাইবান্ধা ২২৯৫ ৩৮ বরিশাল ১৮৭২ ৮ গাজীপুর ৬৬৮ ৩৯ বাগেরহাট ৯০৮ ৯ গোপালগঞ্জ ৮২০ ৪০ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১২৯০ ১০ চট্টগ্রাম ২৮০৭ ৪১ ভোলা ১২০০ ১১ চাঁদপুর ৬৭০ ৪২ ময়মনসিংহ ১৩২৩ ১২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৩২ ৪৩ মাগুরা ৪৪৩ ১৩ চুয়াডাঙ্গা ৫৫৪ ৪৪ মাদারীপুর ৩৮১ ১৪ জয়পুরহাট ৩৯৮ ৪৫ মানিকগঞ্জ ৫২৯ ১৫ জামালপুর ৬৬৭ ৪৬ মুন্সীগঞ্জ ৯২০ ১৬ ঝালকাঠি ৬০২ ৪৭ মেহেরপুর ৪৮৯ ১৭ ঝিনাইদহ ৯২৮ ৪৮ মৌলভীবাজার ১২২২ ১৮ টাঙ্গাইল ১৩২০ ৪৯ যশোর ১৪৬৯ ১৯ ঠাকুরগাঁও ১৫১২ ৫০ রংপুর ২০১৯ ২০ ঢাকা ১৩০৯ ৫১ রাজবাড়ী ৪৩০ ২১ দিনাজপুর ২৪২১ ৫২ রাজশাহী ৮৩৭ ২২ নওগাঁ ১২৬৬ ৫৩ লক্ষ্মীপুর ৬৭৫ ২৩ নড়াইল ৫২৩ ৫৪ লালমনিরহাট ১১৮৪ ২৪ নরসিংদী ৬৪৫ ৫৫ শরীয়তপুর ৬৪২ ২৫ নাটোর ১০৪৩ ৫৬ শেরপুর ৫৫৩ ২৬ নারায়ণগঞ্জ ৭১১ ৫৭ সাতক্ষীরা ১০১৯ ২৭ নীলফামারী ১১০৯ ৫৮ সিরাজগঞ্জ ২১২৩ ২৮ নেত্রকোনা ৮৯২ ৫৯ সিলেট ১১৮২ ২৯ নোয়াখালী ১৩১১ ৬০ সুনামগঞ্জ ২০৬০ ৩০ পঞ্চগড় ১১১১ ৬১ হবিগঞ্জ ১২০১ ৩১ পটুয়াখালী ১৫৬৬ সর্বমোট: ৬৯,২৬৫
আরও পড়ুন:





