জনসভায় তিনি বলেন, ‘দেশে ইনসাফ থাকলে দুর্নীতি ও টাকার পাচার হতো না। আওয়ামী শাসনামলে আয়নাঘর তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও রেহাই পায়নি অনেকে।’
আমিরে জামায়াত বলেন, ‘জনগণ এবার গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়যুক্ত করতে মুখিয়ে আছে।’ তিনি এসময় ১০ দলের জোটের ঢাকার বিভিন্ন আসনে মনোনীত প্রার্থীদের হাতে সমন্বিত প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা-১৫ আসনে মানসম্মত সরকারি হাসপাতাল নেই, খালগুলো ময়লার ভাগার হয়ে গেছে।’ নির্বাচিত হলে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিশ্বমানের করতে ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করবেন।
আরও পড়ুন:
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘জামায়াত কারও কাছ থেকে চাঁদা নেবে না, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়যুক্ত করবে।’
এসময় ঢাকা-১১ আসনের জোট প্রার্থী নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ আচরণ না করলে জনগণ আবারও মাঠে নামবে।’
তিনি বলেন, ‘ঋণখেলাপি ও অসৎ প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হলে জনগণ প্রতিক্রিয়া দেখাতে বাধ্য হবে।’
সমাবেশে ১০ দলের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





