প্রায় আড়াইশো বছরের পুরনো যশোরের রয়েছে কৃষি-অর্থনীতি আর সংস্কৃতির ক্ষেত্রে নিজস্ব পরিচিতি। নির্বাচনি ভাবনায় সরগরম চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অলগলি পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে জেলা শহরে। ভোটের আলোচনায় পিছিয়ে নেই যশোরের নারী ভোটাররা। ইশতেহারে কর্মজীবী নারীরা চান স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার নিশ্চয়তা।
নারী ভোটার জানান, আগামী নির্বাচনে যে দল নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নারীদের জীবন মানের উন্নয়নে কাজ করবে।
খুলনার কয়রা উপজেলার গোলখালি গ্রামের ছায়রা খাতুন। নদীভাঙনে ঘর হারিয়ে তিনি এখন আশ্রয়হীন। তিন মেয়ে আর বৃদ্ধ স্বামীকে নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে ইটভাটায় কাজ করেন শ্রমিক হিসেবে।
আরও পড়ুন:
তার চাওয়া, সরকার একটা মাথা গোছার ঠাই করে দেয় তাহলে আমরা আমাদের ছেলে-মেয়ে নিয়ে একটু শান্তিতে থাকতে পারবো।
এদিকে নারী জুলাই যোদ্ধারা চান কোটা নয়, নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সমাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে। যেখানে নিশ্চিত হবে ন্যায়বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর নারীর মর্যাদা। কোন ধরণের ঝামেলা ও নিরাপদ রাষ্ট্র হবে।
তারা আরও জানান, যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবে তাদের অবশ্যই নারী ক্ষমতায়নের বিষয়ে নজর রাখাতে হবে।
আরও পড়ুন:
নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নারীদের উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন নারী উদ্যোক্তারা।
তারা জানান, নারী পুরুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। সবাই মিলে এক সঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এবং সরকার নারীকে নারী হিসেবে না, মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, যশোরের ছয়টি আসনে মোট ভোটার ২৪ লাখ ৭১ হাজার ৯০৮। এর মধ্যে নারী ভোটার ১২ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৭ জন।





