শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেব্রিন প্রিয়াঙ্কা, জামায়াত প্রার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
শোকজ নোটিশে বলা হয়, নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণা শুরুর তারিখের পূর্বেই গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শেরপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেব্রিন প্রিয়াঙ্কা শেরপুর সদর উপজেলার জঙ্গলদি বাজারে এক কর্মীসমাবেশে ধানের শীষে ভোট না দিলে কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না বলে বক্তব্য প্রদান করেন।
আর জামায়াত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম তার নিজ নামের পেইজ থেকে দলীয় প্রতীকসহ পোস্টার-ছবি ব্যবহার করে পোস্টের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা এবং বিভিন্ন জনসমাবেশে অংশ নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছেন।
আরও পড়ুন:
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতীকসহ পোস্টার-ছবি ব্যবহার করে পোস্টের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা করছেন এবং পথসভার মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দের পূর্বেই নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।
বিষয়গুলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আর্টিকেল ৭৩ (৩) (বি) এবং রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর বিধির লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) তানভীর আহমেদ জানান, ওই তিন প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ওই বিষয়ে তাদের প্রতি কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এবং অনুসন্ধান প্রতিবেদন কেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে না সে বিষয়ে আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।





