আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আয়োজনে ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সংস্কার নিয়ে অনেকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। এত অল্প সময়ে এত বেশি সংস্কার হয়নি। ব্যাংক খাতে মানুষের আস্থা ফিরেছে, রেমিট্যান্স বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল আছে, হয়তো আরও হতে পারতো।’
আরও পড়ুন:
সুপ্রিমকোর্টে সবশেষ নিয়োগ অনেক ভাল হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য যা যা করা দরকার, তাই হয়েছে। সরকারের সব ক্ষমতা উচ্চ আদালতের হাতে। শুধু ১০ বছর ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বা ‘জয় বাংলা’ বললেই আর বিচারক হওয়া যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর ফলে “রুল অব ল” প্রতিষ্ঠা হবে কি না জানি না, তবে জবাবদিহিতা ছাড়া অসীম স্বাধীনতা সুফল বয়ে আনে না। এজন্য উচ্চ আদালতেও কিছু সংস্কার দরকার। এর উদ্যোগ তাদেরকেই নিতে হবে।’
এছাড়া ব্যাংক খাতে মানুষের আস্থা ফিরেছে বলেও জানান তিনি। এসময় পুলিশ সংস্কার আইন নিয়ে তার হতাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।





