খবর পেয়ে রাতে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী সদর হাসপাতালে গিয়ে আহতসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
এসময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা হাসপাতালে জড়ো হয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। হাসপাতাল এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রাত সাড়ে ৮টায় দিকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা শহরে মিছিল করেছেন। তবে ঘটনাটি নিয়ে জামায়াত ও বিএনপি নেতারা একে-অপরকে দোষারোপ করেছেন।
আরও পড়ুন:
জামায়াতে ইসলামীর আহতরা হলেন- চরশাহী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সহসভাপতি সাকিব হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা এমরান হোসেন এবং শাহাদাত হোসেন খোকন।
বিএনপির আহতরা হলেন- রাসেল ভূঁইয়া, কামাল হোসেন এবং মো. রাসেল। তারা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি আছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নারী জামায়াতের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিএনপি নেতা বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে ভোট চাওয়ার জন্য যায়। এসময় তারা সেখানে ভোটার আইডি কার্ড চায়। এটি কেন প্রয়োজন, এ নিয়ে কেন তর্ক -বিতর্ক শুরু হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, হামলার ঘটনা ঘটেনি। শুনেছি ভোটারদের কাছ থেকে ভোটার আইডি চাওয়ায় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারামারি হয়। এতে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





