বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয় ২২টি আবেদন। দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে না মঞ্জুর ঘোষণা করা হয় চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামায়াতের প্রার্থী একে এম ফজলুল হকের আবেদন। এসময় আপিল শুনানিতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেন তিনি।
প্রথমার্ধের বিরতির পর ১২টায় আবারও শুরু হয় আপিল শুনানি৷ মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি পর্যন্ত সর্বমোট নিষ্পত্তি হয় ৩৬টি আবেদন। মঞ্জুর করা হয় ১৯টি। না মঞ্জুর হয় ১৩টি। এছাড়া স্থগিত রাখা হয় ২টি আবেদন। একই দিনে আপিল আবেদন থেকে সরে আসে চট্টগ্রাম ৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাকিলা ফারজানা।
আরও পড়ুন:
এদিকে ১ শতাংশ ভোটার তালিকার সত্যতা না থাকায় না মঞ্জুর হয় কিশোরগঞ্জ ৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনাত কাউয়ুমের আপিল আবেদন। তবে মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। হাসনাত কাউয়ুম জানান, কমিশন সংস্কারের আগে সম্ভব নয় গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। একই অভিযোগ করেন আরও বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী৷
গেল ১১ জানুয়ারি শুরু হয় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদনের শুনানি। গেল দুইদিনে ১৪০টি শুনানিতে ১১০টি আবেদন মঞ্জুর করে কমিশন। বাতিল করে ২২টি।





