বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা দিয়েছে বিশ্ব। তবে ইউক্রেন-রাশিয়ার জন্য যেন শুধুই কেলেন্ডারের পরিবর্তন হয়েছে। দু'দেশের সংঘাত বরাবরের মতই চলমান। নতুন বছরের শুরুতেই হামলা পালটা হামলার দাবি করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন।
রাশিয়ার দাবি, বর্ষবরণ উদযাপনকালে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রুশ নিয়ন্ত্রিত খেরসন অঞ্চলের এক হোটেলে শিশুসহ অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৫০জন। খেরসন অঞ্চলের গভর্নর ভ্লাদিমির সালদো এক টেলিগ্রাম বার্তায় অভিযোগ করেন, ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ লক্ষ্য করে এই ড্রোন হামলা চালায়।
জবাবে বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের সাতটি অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ও সামরিক ঘাটিতে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলেন, নতুন বছরে রাশিয়া নতুন উদ্যমে যুদ্ধ শুরু করেছে। ইউক্রেন লক্ষ্য করে ২০০টিরও বেশি ড্রোন হামলার অভিযোগ করেন জেলেনস্কি।
আরও পড়ুন:
অবশ বসে নেই ইউক্রেনও। একই দিন রাশিয়ার একাধিক তেল শোধনাগার ও দোনেৎস্ক অঞ্চলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে ইউক্রেন। যদিও রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের সামরিক বাহিনী একটি ইউক্রেনীয় Su-27 যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এছাড়াও, ২৫০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন আটক করেছে রুশ সেনারা।
এর আগে গেল সোমবার, কিয়েভ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে হামলার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ মস্কো। যদিও সাথে সাথে ইউক্রেন এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে। পরে ইউরোপীয় এবং মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও দাবি করে ইউক্রেন পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে নি।
বৃহস্পতিবার রাশিয়া জানায়, ভূপাতিত করা ইউক্রেনীয় ড্রোন থেকে একটি ফাইল ডিকোড করে তারা জানতে পেরেছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বাসভবনকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়েছিল। তারা প্রাসঙ্গিক তথ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করবে জানানো হয়।





