রাজনৈতিক জীবনের পরতে পরতে সীমাহীন চ্যালেঞ্জের মাঝে শারিরীক অসুস্থতা কম ভোগায়নি বেগম খালেদা জিয়াকে। আর তার অসুস্থতা ব্যাক্তিগত জীবন ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিল জাতীয় রাজনীতির ইস্যু।
কখনো রক্তক্ষরণ, কখনো সংক্রমণ, কখনো ভয়াবহ দুর্বলতা। প্রতিটি দিন ছিলো নতুন এক যুদ্ধ। বছরের শুরুতে উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হয় লন্ডনে। এটিই ছিল দেশের বাইরে সবশেষ সফর। তার সেই স্মৃতি কাঁদাচ্ছে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতাকর্মীদের। ভুলতে পারছেন না তার প্রতি টান, কাছ থেকে দেখার স্মৃতি।
যুক্তরাজ্য বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সর্বশেষ তাকে বিদায় জানানোর দিনে আমরা যখন বিমানবন্দরে সমবেত হয়েছিলাম তিনি আমাদের অভিবাদন জানিয়েছিলেন।’
যুক্তরাজ্য বিএনপি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিসবাহুজ্জামান সুহেল বলেন, ‘তিনি একজন আপসহীন নেত্রী ছিলেন।’
আরও পড়ুন:
বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন মনোভাব, দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ আর অসীম সাহস আগামীর পথচলার পাথেয়, বলছেন যুক্তরাজ্য নেতাকর্মীরা।
যুক্তরাজ্য যুবদল সভাপতি আফজল হোসাইন বলেন, ‘ওনার আদর্শকে বুকে লালন করে আগামী সময়ে যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মী তাদের পথচলা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’
যুক্তরাজ্য যুবদল সেক্রেটারি বাবর চৌধুরী বলেন, ‘কীভাবে অন্যায়ের কাছে মাথা উঁচু করে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে আমরা যুবদল ওনার থেকে শিক্ষা নিয়েছি।’
চিকিৎসার চার মাস পর দেশে ফিরেন বেগম জিয়া। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিরবিদায় নিলেই এ সংগ্রামী নেত্রী। সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত কমিউনিটি।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, তারা সাধারণ জনগণেরা চান আগামী সময়ে যেন দেশের জন্য এমন নেতা-নেত্রী তৈরি হয়, দেশের জন্য কাজ করেন।
প্রায় ৪ দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু বিএনপি নয়, দেশের রাজনীতিতেই সৃষ্টি করেছে এক গভীর শূন্যতা।





