শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ, ভাঙচুর

এখন জনপদে
0

পলাতক শেখ হাসিনার ভাষণের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। এসময় শেখ মুজিব ও হাসিনার ম্যুরাল ভাঙচুর ও গ্রাফিতি মুছে দেন আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি গুম, খুন, দুর্নীতিসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

পালিয়ে যাওয়ার পর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার প্রথমবারের মতো ভাষণের ঘোষণার পর থেকে উত্তাল সারা দেশ। এরপরই ফ্যাসিবাদীর চিহ্ন মুছে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে সরব হন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এর মধ্য দিয়ে আবারো যেন জাগ্রত হয় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের চেতনা।

ফ্যাসিবাদের আইকন মুছে দিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ মুজিব হল, শেখ হাসিনা ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম ফলক ও ভিত্তি ফলক ভাঙেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া মুজিববাদ মুছে দাও স্লোগান দিয়ে চট্টগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ভাঙচুর করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর প্রেস ক্লাব ও জামালখান মোড়ে এই কর্মসূচি পালন করে তারা। এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা মেডিকেল কলেজে শেখ মুজিবের ম্যুরাল ভাঙেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট কোর্ট পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সিলেট সিটি করপোরেশনের সামনে সমাবেশ করেন তারা। এসময় জুলাই গণহত্যার প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় সব গুম, খুন, দুর্নীতিসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কারমাইকেল কলেজে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও নামফলক ভাঙচুর করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। রাত ১০টার দিকে মহানগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা কারমাইকেল কলেজের মূল ফটকের সামনে জড়ো হয়। এসময় মূল ফটকের সামনে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

এছাড়া রাতে খুলনার খুলনার শেরে বাংলা রোডের শেখ হাসিনার চাচার বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিচ্ছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

ইএ