আমদানি-রপ্তানি
অর্থনীতি
অবৈধ পথে পণ্য আনা বন্ধ না হলে কঠিন পরিস্থিতির শঙ্কা ব্যবসায়ীদের
রোজার শুরুতে বরাবরের মতই অস্থির হয়ে ওঠে দেশের নিত্যপন্যের বাজার। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতিতে অস্বস্তিতে ক্রেতা ও ভোক্তারা। এমন পরিস্থিতিতে বাজার মনিটরিংয়ে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। ২৯টি নিত্যপন্যের যৌক্তিক দাম বেঁধে দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর।

তবে এরপরও বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা, অভিযানের নামে ব্যবসায়ীদের হয়রানির অভিযোগ ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ (শনিবার, ৩০ মার্চ) ঢাকার সবচেয়ে বড় মৌলভীবাজার পাইকারি ব্যবসায়ী সমিতির সাথে বৈঠকে বসে এফবিসিসিআই ও ভোক্তা অধিকারসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা।

বৈঠকের শুরুতেই ব্যবসা করতে গিয়ে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ তুলে ধরেন ব্যাবসায়ী নেতারা। সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ পথে চিনিসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এসময় তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদফতরের কড়া সমালেচনা করেন।

পণ্য খালাস করার সিরিয়াল পেতে কাস্টমসকে প্রতিনিয়ত মোটা অংকের উৎকোচ দিতে হয় দাবি করে ব্যবসায়ীরা বলেন, এনবিআর অযৌক্তিকভাবে নানা উছিলায় তাদের কাছ থেকে আমদানি শুল্ক আদায় করে থাকেন। যার প্রভাব পড়ে দ্রব্যমূল্যে।

এসময় নকল পণ্যের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন থাকার আহবান জানান ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের উপ পরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস।

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নানা অভিযোগ শোনার পর এফবিসিসিআই সভাপতি মো. মাহবুবুল আলম বলেন, যেসব ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে বাজারকে অস্থির করে তুলছে তাদের পাশে থাকবে না ব্যবসায়ীদের এই সংগঠন। তবে, ভোক্তা অধিকারের কাছ থেকে মন্ত্রণালয়ের ধার্য করা জরিমানা আদায় বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি এনবিআর ও কাস্টমসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখারও তাগিদ দেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত দামের বিষয়ে সমন্বয় না করা গেলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে না বলেও জানায় সব পক্ষ।

এসএসএস