দেশে এখন
বাজার
নিয়ন্ত্রণে আসছে না কুষ্টিয়ার চালের বাজার
সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পরেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না চালের বাজার। কুষ্টিয়ার খাজানগরে সব ধরনের চাল কেজিপ্রতি ২ থেকে ৪ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তারা বলছেন, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আমদানিতেও মিলবে না সুফল।

চালের বাজারের এমন অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতিও দিয়েছে সরকার। তবে আমদানির খবরেও কোন প্রভাব পড়েনি বাজারে। সব ধরনের চালই বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরকারের চাল আমদানির খবর এখনো জানেন না তারা। আমদানি শুরু হলে কমতে পারে চালের দাম।

তারা বলেন, খাজানগরের প্রত্যেকটা চালের বাজার বাড়তি। এখন যে চাল বাজারে আসছে সেটা অবশ্যই বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। আমদানির কোন খবর শুনি নাই। তবে এটা হলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে।

এদিকে নানামুখী পদক্ষেপের পরেও চালের দাম না কমায় ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা। দুষছেন ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটকে। বলেন, অন্যান্য বছর রমজান মাসে চালের দাম কমে। আর আমাদের দেশে সবকিছুরই দাম বাড়ে। যেভাবে চালের দাম বাড়ছে আমরা তো কিনতে পারছি না।

সংকটের অজুহাত দেখিয়ে মিল মালিকরা বলছেন ধানের দাম না কমলে চালের দামও কমবে না ।

দেশ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী এম.এ খালেক বলেন, 'কোন মিলারের কাছে ধান-চাল স্টক নেই। যা আছে তাতে সর্বোচ্চ ১৫ দিন দিতে পারবে। এখন ধান কিনলে প্রতি কেজি চালের দাম ৭০ টাকা পড়বে।'

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরও কঠোর হওয়ার তাগিদ সাধারণ ভোক্তাদের।

এভিএস